জন্মতারিখেই লুকিয়ে আধ্যাত্মিক ক্ষমতা! আপনার সান্নিধ্যে কি অন্যরা শান্তি খুঁজে পায়? মিলিয়ে নিন সংখ্যাতত্ত্ব

চারপাশে স্বার্থপর মানুষের ভিড় আর কাজের চাপে আমরা যখন দিশেহারা, তখন কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বললেই মনে হয় সব মেঘ কেটে গেল। একে গুণ বলুন বা ম্যাজিক, নিউমেরোলজি বলছে এটি আসলে গ্রহের প্রভাব। কিছু নির্দিষ্ট দিনে যাঁরা জন্মান, তাঁদের মধ্যে জন্মগতভাবেই অন্যদের মানসিক ক্ষত সারিয়ে তোলার এক অদ্ভুত আধ্যাত্মিক শক্তি থাকে। সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, এই ১৭টি তারিখের জাতক-জাতিকারা অনেকটা ‘হিলার’ বা দেবদূতের মতো কাজ করেন।

চন্দ্রের প্রভাবে মায়াবী স্পর্শ (২, ১১, ২০ ও ২৯ তারিখ)
যাঁদের জন্ম যে কোনো মাসের ২, ১১, ২০ বা ২৯ তারিখে, তাঁদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রিত হয় চন্দ্র দ্বারা। এঁরা অসম্ভব দয়ালু ও সহানুভূতিশীল। অন্যের চোখের জল এঁদের মনকে দ্রুত নাড়া দেয়। আপনি যদি মানসিক অস্থিরতায় ভোগেন, তবে এই তারিখের মানুষেরা হতে পারেন আপনার সেরা আশ্রয়। এঁদের শান্ত স্বভাব নিমেষেই অন্যের অস্থির মনকে শীতল করে দেয়।

বৃহস্পতির আশীর্বাদে পথপ্রদর্শক (৩, ১২, ২১ ও ৩০ তারিখ)
মাসের এই তারিখগুলোতে জন্মালে আপনার ওপর থাকে দেবগুরু বৃহস্পতির প্রভাব। এঁরা জন্মগতভাবেই জ্ঞানী এবং দার্শনিক মনের অধিকারী। কেউ বিপদে পড়লে বা পথ হারালে এঁরাই সঠিক দিশা দেখান। নিজেদের দুঃখ লুকিয়ে রেখে অন্যের মুখে হাসি ফোটাতে এঁদের জুড়ি মেলা ভার।

বুধের জাদুতে পজিটিভিটির উৎস (৫, ১৪ ও ২৩ তারিখ)
বুধ গ্রহের প্রভাবে এই জাতক-জাতিকারা ‘কমিউনিকেশন মাস্টার’ হন। হতাশায় ডুবে থাকা মানুষকেও এঁরা নিজেদের কথার জাদুতে চাঙ্গা করে তুলতে পারেন। এঁদের চারপাশের পজিটিভ এনার্জি বা ইতিবাচক শক্তি যেকোনো বিষণ্ণ পরিবেশকে আনন্দময় করে তোলে।

শুক্র ও কেতুর প্রভাব (৬, ১৫, ২৪ এবং ৭, ১৬, ২৫ তারিখ)
যাঁদের জন্ম ৬, ১৫ বা ২৪ তারিখে, শুক্রের প্রভাবে তাঁরা অত্যন্ত ধৈর্যশীল ও নির্ভরযোগ্য হন। তাঁদের পাশে থাকলে এক অদ্ভুত নিরাপত্তা বোধ করা যায়। অন্যদিকে, ৭, ১৬ বা ২৫ তারিখে জন্মানো মানুষেরা কেতুর প্রভাবে প্রবল আধ্যাত্মিক গুণের অধিকারী হন। মানুষের মনের জটিল জট ছাড়াতে এবং অন্ধকার সময়ে আলোর পথ দেখাতে এঁরা পারদর্শী।