বঙ্গোপসাগরে জোড়া ঘূর্ণাবর্ত! ধেয়ে আসছে কালবৈশাখীর ঝাপটা, ভিজবে আপনার জেলা?

বসন্তের শুরুতেই আবহাওয়ার মেজাজ বিগড়েছে। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত জোড়া নিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের জেরে লণ্ডভণ্ড দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে।

দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া পরিস্থিতি:
হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টির ভ্রুকুটি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে ঝাড়গ্রাম জেলায় বজ্রপাত ও বৃষ্টির জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কলকাতায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১.২ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ১৯.২ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। বৃষ্টির জেরে দহনজ্বালা কমলেও আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় এক মনোরম পরিবেশ তৈরি হয়েছে। উপকূলের জেলাগুলোতে ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আপডেট:
দক্ষিণের পাশাপাশি উত্তরেও বৃষ্টির প্রভাব পড়বে। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়িতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও মালদহ জেলা মূলত শুষ্ক থাকবে। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের না হলেও ফেব্রুয়ারি শেষ হতেই শীতের আমেজ পুরোপুরি বিদায় নেবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

জাতীয় স্তরের চিত্র:
শুধু বাংলা নয়, দক্ষিণ ভারতেও দুর্যোগের মেঘ। তামিলনাড়ু, কেরালা ও মাহেতে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। অন্যদিকে, উত্তর ভারতের জম্মু-কাশ্মীর ও হিমাচল প্রদেশে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় সতর্ক নজরদারি চালানো হচ্ছে।