দরজা বন্ধ করে নৃশংসতা! খাবার দিতে আসা যুবকের সঙ্গে পরকীয়ার সন্দেহ, স্ত্রীর মাথা ন্যাড়া করে দিল স্বামী

পরকীয়ার সন্দেহে এক গৃহবধূর ওপর মধ্যযুগীয় বর্বরতা চালানোর অভিযোগ উঠল খোদ স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের বাগলকোট জেলায়। পুলিশ জানিয়েছে, স্ত্রীর চরিত্র নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সন্দিহান ছিলেন ৩১ বছর বয়সি উমেশ কোট্টালগি। গত ৩১ জানুয়ারি রাতে স্ত্রী বাড়ির দরজা খুলতে সামান্য দেরি করায় উমেশ হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করার পর একটি ইলেকট্রিক ট্রিমার দিয়ে জোর করে তাঁর মাথা ন্যাড়া করে দেন তিনি। বাপের বাড়ির লোকজন বারবার বোঝানো সত্ত্বেও উমেশের সন্দেহবাতিক কমেনি। জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে এক যুবক ওই বাড়িতে খাবার দিতে আসাকে কেন্দ্র করেই এই সন্দেহের সূত্রপাত। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে সাভলাগি থানার পুলিশ অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করেছে।
অন্যদিকে, ওড়িশার কান্ধমাল জেলা থেকে এক হাড়হিম করা ঘটনার খবর সামনে এসেছে। বেলঘর থানা এলাকায় বছর চোদ্দোর এক নাবালিকাকে অপহরণ করে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে রাতভর যৌন হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে গ্রামেরই দুই যুবকের বিরুদ্ধে। গত রবিবার বিকেলে খালের ধার থেকে ওই কিশোরীকে তুলে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। জঙ্গলে তার ওপর পাশবিক অত্যাচার চালিয়ে তাকে ফেলে রেখে পালায় তারা। ভয়ে এবং হাড়কাঁপানো শীতে রাতভর ঘন জঙ্গলে একাই পড়ে ছিল মেয়েটি। সোমবার ভোরে কোনওরকমে গ্রামে ফিরে পরিবারের কাছে সবটা জানায় সে। পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের চেষ্টা সফল না হলেও নাবালিকার শ্লীলতাহানি ও মারধর করা হয়েছে। ঘটনার ভিডিও তুলে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয়ও দেখানো হয়। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, অন্যজন এখনও পলাতক।