মানুষের ভালোবাসা ফুরিয়ে গেলেও অবলা প্রাণীর আনুগত্য যে কতটা গভীর হতে পারে, তার এক মর্মস্পর্শী সাক্ষী থাকল চীনের সাংহাই শহর। গত ১১ ডিসেম্বর অসুস্থতার কারণে চিরবিদায় নিয়েছেন এক ব্যক্তি। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর খবর বোঝেনি তাঁর প্রাণের চেয়েও প্রিয় পোষা কুকুরটি। সে আজও বিশ্বাস করে, তার মনিব হয়তো অন্যদিনের মতো বাইরে গেছেন এবং কাজ সেরে দ্রুতই ফিরে আসবেন। মালিক বেঁচে থাকাকালীন দুজনে ছিলেন অভিন্নহৃদয়। মালিক বাইরে গেলে কুকুরটি ঠায় বসে থাকত দরজার সামনে। মালিক ফিরলে তবেই তার শান্তি। সেই অভ্যাসবশতই গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এক মুহূর্তের জন্যও দরজার সামনে থেকে নড়েনি সে। দিন কাটছে, রাত আসছে, কিন্তু যার জন্য এই দীর্ঘ অপেক্ষা, সেই মানুষটি আর ফেরেননি। মালিকের মৃত্যুশোক যেন পাথর করে দিয়েছে তাকে। প্রতিবেশীরা অনেকবার খাবার ও জল দেওয়ার চেষ্টা করলেও সে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। না খেয়ে ধুঁকতে ধুঁকতে সে কেবল ওই বন্ধ দরজার দিকেই তাকিয়ে থাকে। জানুয়ারির শুরুতে যখন সাংহাইয়ের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রিতে নেমে যায়, সাথে চলে ভয়ংকর ঝড়বৃষ্টি, তখনও সে তার কর্তব্য থেকে বিচ্যুত হয়নি। সম্প্রতি এক মহিলা তাকে ঝোপের আড়ালে ঠকঠক করে কাঁপতে দেখেন; বিস্ময়করভাবে তখন তার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছিল। একজন স্থানীয় ব্যক্তি এই নিঃসঙ্গ সারমেয়টিকে আশ্রয় দিতে চাইলেও, কুকুরটি কাউকেই তার মনিবের জায়গায় বসাতে রাজি নয়। ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’-এ এই হৃদয়বিদারক কাহিনী প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে মানুষ চোখের জল ধরে রাখতে পারছেন না। প্রভুভক্তির এই চরম নিদর্শন এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। প্রশ্ন একটাই, যে মানুষটি আর কোনোদিন ফিরবেন না, তাঁর জন্য এই অবুঝ প্রাণের অন্তহীন অপেক্ষার শেষ কোথায়?

মানুষের ভালোবাসা ফুরিয়ে গেলেও অবলা প্রাণীর আনুগত্য যে কতটা গভীর হতে পারে, তার এক মর্মস্পর্শী সাক্ষী থাকল চীনের সাংহাই শহর। গত ১১ ডিসেম্বর অসুস্থতার কারণে চিরবিদায় নিয়েছেন এক ব্যক্তি। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর খবর বোঝেনি তাঁর প্রাণের চেয়েও প্রিয় পোষা কুকুরটি। সে আজও বিশ্বাস করে, তার মনিব হয়তো অন্যদিনের মতো বাইরে গেছেন এবং কাজ সেরে দ্রুতই ফিরে আসবেন।

মালিক বেঁচে থাকাকালীন দুজনে ছিলেন অভিন্নহৃদয়। মালিক বাইরে গেলে কুকুরটি ঠায় বসে থাকত দরজার সামনে। মালিক ফিরলে তবেই তার শান্তি। সেই অভ্যাসবশতই গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এক মুহূর্তের জন্যও দরজার সামনে থেকে নড়েনি সে। দিন কাটছে, রাত আসছে, কিন্তু যার জন্য এই দীর্ঘ অপেক্ষা, সেই মানুষটি আর ফেরেননি।

মালিকের মৃত্যুশোক যেন পাথর করে দিয়েছে তাকে। প্রতিবেশীরা অনেকবার খাবার ও জল দেওয়ার চেষ্টা করলেও সে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। না খেয়ে ধুঁকতে ধুঁকতে সে কেবল ওই বন্ধ দরজার দিকেই তাকিয়ে থাকে। জানুয়ারির শুরুতে যখন সাংহাইয়ের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রিতে নেমে যায়, সাথে চলে ভয়ংকর ঝড়বৃষ্টি, তখনও সে তার কর্তব্য থেকে বিচ্যুত হয়নি। সম্প্রতি এক মহিলা তাকে ঝোপের আড়ালে ঠকঠক করে কাঁপতে দেখেন; বিস্ময়করভাবে তখন তার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছিল।

একজন স্থানীয় ব্যক্তি এই নিঃসঙ্গ সারমেয়টিকে আশ্রয় দিতে চাইলেও, কুকুরটি কাউকেই তার মনিবের জায়গায় বসাতে রাজি নয়। ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’-এ এই হৃদয়বিদারক কাহিনী প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে মানুষ চোখের জল ধরে রাখতে পারছেন না। প্রভুভক্তির এই চরম নিদর্শন এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। প্রশ্ন একটাই, যে মানুষটি আর কোনোদিন ফিরবেন না, তাঁর জন্য এই অবুঝ প্রাণের অন্তহীন অপেক্ষার শেষ কোথায়?