“সোশ্যাল মিডিয়ায় অঙ্গভঙ্গি ভালো নয়”, ভাইরাল ভিডিওর জেরে প্রার্থীপদ হারিয়ে হুমায়ূনকে বিঁধলেন নিশা

বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রার্থী বাছাই নিয়ে চরম নাটকীয়তা তৈরি করলেন ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’র (JUP) প্রধান হুমায়ূন কবীর। সোমবার ধুমধাম করে নিশা চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করার ঠিক ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর নাম বাতিল করে দিলেন হুমায়ূন। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি ঘোষণা করেন, বালিগঞ্জ কেন্দ্রে তাঁর দলের নতুন প্রার্থী হলেন প্রাক্তন পুলিশ অফিসার আবুল হাসান, যিনি সম্পর্কে হুমায়ূন কবীরের মামা।
নিশা চট্টোপাধ্যায়ের প্রার্থীপদ বাতিলের কারণ হিসেবে হুমায়ূন কবীর তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া ভিডিও এবং ‘অঙ্গভঙ্গি’কে দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, বিধানসভার মতো পবিত্র প্রতিষ্ঠানের জন্য নিশার ওই ধরণের ‘খোলামেলা’ ভিডিও উপযুক্ত নয়। এই মন্তব্যের পালটা দিয়ে নিশা জানিয়েছেন, হুমায়ূন কবীর নিজেই তাঁকে রাজনীতিতে আসার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। নিশার অভিযোগ, “সোশ্যাল মিডিয়া আসলে একটা অজুহাত। আদতে উনি তাঁর মামাকেই প্রার্থী করতে চেয়েছিলেন।”
নতুন প্রার্থী আবুল হাসান একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার। হুমায়ূন কবীর মনে করেন, তাঁর প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা বালিগঞ্জের মতো সংবেদনশীল এলাকায় দলের শক্তি বাড়াবে। তবে নিজের আত্মীয়কে প্রার্থী করায় ‘পরিবারতন্ত্রের’ অভিযোগ জোরালো হয়েছে। নিশা চট্টোপাধ্যায়ের নাম বাতিল করে একজন মুসলিম প্রার্থীকে নিয়ে আসা কি স্রেফ ধর্মীয় সমীকরণের অঙ্ক, না কি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে—তা নিয়ে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।