উত্তর-পূর্ব ভারতে মৌলবাদী নজর? রুখতে সীমান্তে নামল স্পেশাল ফোর্স! বিএসএফ-সেনা কর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে ইস্টার্ন কমান্ডার!

ওপার বাংলায় অরাজকতা এবং মৌলবাদী ছাত্রনেতাদের উত্তর-পূর্ব ভারতকে নিয়ে উস্কানিমূলক বার্তার জেরে এবার নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। বাংলাদেশের ভেতরে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI) এবং ভারত-বিরোধী শক্তির বাড়বাড়ন্ত রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হল।
উচ্চপর্যায়ের সামরিক বৈঠক: ভারতীয় সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার (Eastern Army Commander) লেফটেন্যান্ট জেনারেল রামচান্দের তিওয়ারি শুক্রবার অসম রাইফেলসের একটি অপারেটিং ঘাঁটিতে গিয়ে বিএসএফ, অসম রাইফেলস এবং স্পেশাল ফোর্সের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।
সেনার হাতে সীমান্তের চাবিকাঠি? সাধারণত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পাহারার মূল দায়িত্ব বিএসএফ-এর (BSF)। কিন্তু বর্তমান সংকটের গুরুত্ব বিচার করে বৈঠকে কয়েকটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে:
সেনা ও স্পেশাল ফোর্স মোতায়েন: শুধুমাত্র বিএসএফ নয়, সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে কড়া নজরদারি চালাবে ভারতীয় সেনা এবং স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডোরা।
স্পর্শকাতর এলাকা: ৪০৯৬ কিলোমিটার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রতিটি ইঞ্চিকে এখন ‘স্পর্শকাতর’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
মায়ানমার সীমান্ত: নাগাল্যান্ড, মণিপুর ও মিজোরামে যাতে নতুন করে কোনো অস্থিরতা তৈরি না হয়, তার জন্য মায়ানমার সীমান্তে অসম রাইফেলসকে চূড়ান্ত সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কেন এই তৎপরতা? ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলাদেশের অস্থিতিশীল পরিবেশের সুযোগ নিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে নাশকতা চালানোর ছক কষছে ভারত-বিরোধী শক্তিরা। বিশেষ করে ছাত্র নেতাদের সাম্প্রতিক হুমকিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না। সেনার এই সক্রিয়তা প্রমাণ করছে যে, দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বিন্দুমাত্র আপস করতে রাজি নয় দিল্লি।