জিলেপিকে ইংরেজিতে কী বলে? ৯৯% ভারতীয় জানে না এই উত্তর! এখনই জানুন

মুখ মিষ্টি করা হোক বা যেকোনো উৎসব উদযাপন, ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় এই মিষ্টিটি প্রতিটি মুহূর্তকে বিশেষ করে তোলে। স্বাধীনতা দিবস হোক বা ২৬শে জানুয়ারির বিশেষ অনুষ্ঠান—জিলেপি ছাড়া যেন চলেই না।
জিলেপি তৈরির রহস্য ফাঁস!
জিলেপি তৈরির পদ্ধতি বেশ কৌশলপূর্ণ। প্রথমে ময়দার সঙ্গে দই মিশিয়ে একটি ব্যাটার তৈরি করা হয়, যা ফারমেন্ট বা গাঁজানো হয়। এই গাঁজানো ব্যাটারটি একটি ফানেল বা পাইপিং ব্যাগে ভরে গরম তেল বা ঘিয়ের মধ্যে গোল গোল করে প্যাঁচানো হয়। সোনালী এবং মুচমুচে হয়ে এলে এটিকে সঙ্গে সঙ্গে গরম চিনির সিরায় ডুবিয়ে দেওয়া হয়। এই পদ্ধতিতেই জিলেপি তার পরিচিত মুচমুচে বাইরের অংশ এবং ভেতরের মিষ্টি রসালো স্বাদ পায়।
জিলেপির স্বাদ ও জনপ্রিয়তা
জিলেপি মুখে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এর মুচমুচে আবরণ ভেঙে যায় এবং ভেতরের চিনির রস ফেটে পড়ে। গরম গরম জিলেপির স্বাদ অতুলনীয়। বহু মানুষ জিলেপি রাবড়ির সাথে খেতে পছন্দ করেন, আবার কেউ কেউ আইসক্রিম বা দইয়ের সঙ্গেও খান। এর মুচমুচে ভাব এবং মিষ্টি রসের মিশ্রণ এটিকে সর্বজনীন প্রিয় করে তুলেছে।
জিলেপির আসল নাম এবং বিশ্বব্যাপী পরিচিতি
এই জনপ্রিয় মিষ্টিটির আসল নাম ছিল ‘জুলাবিয়া’ বা ‘জালাবিয়া’। মধ্যপ্রাচ্য থেকে এর উৎপত্তি হলেও, পরে এটি ভারতের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। জিলেপি এখন শুধু ভারতেই নয়, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশেও খুব জনপ্রিয়।
জানেন কি, এই প্রিয় মিষ্টির জন্য একটি বিশেষ দিনও রয়েছে? প্রতি বছর ৩০শে জুলাই পালিত হয় ‘ওয়ার্ল্ড জিলেপি ডে’।
জিলেপিকে ইংরেজিতে কী বলে?
জিলেপির ইংরেজি নাম নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় ভোগেন। একে ইংরেজিতে ‘সুইট প্রেটজেল’ (Sweet Pretzel) বা ‘কয়েলড ফানেল কেক’ (Coiled Funnel Cake) বলা হয়। কেউ কেউ এর পরিচয় হিসেবে ‘ইন্ডিয়ান সিরাপ-কোটেড ডেজার্ট’ (Indian Syrup-Coated Dessert)ও ব্যবহার করেন। এর বাইরের মুচমুচে এবং ভেতরের রসালো ভাব এটিকে অন্যান্য মিষ্টির থেকে আলাদা করে তুলেছে। জিলেপি ভালোবাসলে এই নামগুলো অবশ্যই জেনে রাখা দরকার!