ভার্চুয়াল শুনানির আগেই ক্যামেরার সামনে মহিলাকে জোর করে চুমু, হাইকোর্টের আইনজীবীর কুকীর্তি ভাইরাল! দেখুন

ভার্চুয়াল শুনানির জন্য ক্যামেরা চালু ছিল, অপেক্ষা করছিলেন বিচারপতি এবং উভয়পক্ষের আইনজীবীরা। ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটে গেল অপ্রত্যাশিত কাণ্ড। দিল্লি হাইকোর্টের এক আইনজীবীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় হু হু করে ছড়িয়ে পড়ায় সর্বত্র জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কালো পোশাক পরিহিত ওই আইনজীবী তাঁর ঘরের চেয়ারে বসে আছেন। তাঁর ল্যাপটপের ক্যামেরা চালু ছিল। ভার্চুয়াল শুনানি শুরুর ঠিক আগেই তাঁর ঘরে এক মহিলার প্রবেশ ঘটে। আইনজীবী মহিলার হাত ধরে জোর করে নিজের কাছে টেনে নেন। মহিলা প্রথমে হকচকিয়ে গিয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও, আইনজীবী তাঁকে আবার কাছে টেনে এনে চুমু খান।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার। সেই সময় দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি জ্যোতি সিংয়ের এজলাসে ভার্চুয়াল শুনানি শুরু হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তখনও বিচারক যোগ দেননি। মামলার দুই পক্ষের আইনজীবীরা তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সেই সময়েই অসতর্কতার কারণে আইনজীবীর এই ব্যক্তিগত দৃশ্যটি ক্যামেরায় ধরা পড়ে এবং পরে তা সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে যায়।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শশাঙ্ক শেখর ঝা ভিডিওটির এক ঝলক ‘এক্স’ (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, “এটি দিল্লি হাই কোর্ট!” সুপ্রিম কোর্ট ও দিল্লি হাইকোর্টের আরেক আইনজীবী কুমার দীপ রাজ নিশ্চিত করেছেন যে, ওই ব্যক্তি বিচারপতি নন, একজন আইনজীবী।

ভিডিওটি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট হওয়ার মাত্র দু’ঘণ্টার মধ্যে প্রায় এক লক্ষ মানুষ দেখেছেন। যদিও আজকাল ডট ইন এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি এবং আইনজীবী বা ওই মহিলার পরিচয়ও জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, অতীতেও ভার্চুয়াল শুনানিতে একাধিকবার এমন অনুপযুক্ত আচরণ দেখা গিয়েছে। চলতি বছরের জুন মাসে গুজরাট হাইকোর্টের এক ভার্চুয়াল শুনানিতে এক ব্যক্তিকে কমোডে বসে মলত্যাগ করতে করতে অংশগ্রহণ করতে দেখা গিয়েছিল। সেই ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর গুজরাট হাইকোর্ট ওই ব্যক্তিকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করেছিল এবং ১৫ দিনের সমাজসেবার নির্দেশ দিয়েছিল।