ভয়ঙ্কর! স্কুল ছুটির পর শৌচালয়ে লুকিয়ে ছিল যুবক, সাত বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণ! রাজস্থানে চাঞ্চল্য, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

যেখানে শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে সুরক্ষিত থাকবে বলে মনে করা হয়, সেখানেই ঘটল ভয়াবহ ঘটনা। রাজস্থানের জয়পুরে স্কুল চত্বরেই যৌন লালসার শিকার হলো সাত বছর বয়সী এক নাবালিকা ছাত্রী। স্কুল ছুটির পর শৌচালয়ে লুকিয়ে থাকা এক অপরিচিত যুবক তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনা ঘিরে পড়ুয়া, অভিভাবক এবং স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার জয়পুরের একটি বেসরকারি স্কুলে। নির্যাতিতা নাবালিকা পুলিশকে জানিয়েছে, স্কুল ছুটির পর সহপাঠীরা বেরিয়ে গেলেও সে বাড়ি যাওয়ার আগে শৌচালয়ে গিয়েছিল। সেখানেই ঘাপটি মেরে লুকিয়ে ছিল ৩৫ বছর বয়সী এক যুবক। শৌচালয়ে একা পেয়েই সে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পাঁচিল টপকে পালিয়ে যায়।

বাড়ি ফিরেই পরিবারকে এই ভয়াবহ ঘটনার কথা জানায় মেয়েটি। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার রাতেই গান্ধী নগর থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়। স্থানীয়রাও পুলিশকে জানান, স্কুল ছুটির পর এক যুবককে পাঁচিল টপকে পালাতে দেখেছেন তাঁরা। পুলিশ দ্রুত সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করে এবং রবিবারই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশি জেরায় স্কুলের মধ্যে নাবালিকাকে ধর্ষণের ঘটনাটি স্বীকার করে নিয়েছে সে।

উত্তরপ্রদেশেও একই ঘটনা: অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ম্যানেজার গ্রেপ্তার
প্রসঙ্গত, চলতি মাসেই দেশের অন্য প্রান্তে স্কুল চত্বরে ঘটেছিল একই ধরনের আরও একটি ভয়ঙ্কর ঘটনা। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, উত্তরপ্রদেশে দিনের পর দিন স্কুলের ম্যানেজারের যৌন হেনস্থা ও ধর্ষণের শিকার হয়েছিল অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। ভয়ের চোটে এতদিন সে কাউকে কিছু জানায়নি। অবশেষে পরিবারকে জানালে তার বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশ আধিকারিক সঞ্জয় রেড্ডি জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত স্কুলের ম্যানেজারকে সদর কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

পরপর দুটি ঘটনায় দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। স্কুলের মতো সুরক্ষিত স্থানেও যদি শিশুরা এমন বিপদের মুখে পড়ে, তবে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে।