কলকাতা হাইকোর্টের রক্ষাকবচ পেলেন মিঠুন চক্রবর্তী

আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলায় অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে রক্ষাকবচ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। চিৎপুর থানায় দায়ের হওয়া এই মামলায় বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত নির্দেশ দিয়েছেন যে, তদন্ত চলবে ঠিকই, তবে আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। একই সঙ্গে আদালত রাজ্যের কাছে মামলার কেস ডায়েরি চেয়েছে।
জানা গেছে, আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চিৎপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগ খারিজ করার দাবিতে তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। বুধবার এই মামলার শুনানিতে আদালত এই রায় দেয়।
সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপি-র হয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রচারে গিয়ে মিঠুন চক্রবর্তী বারবার রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। সম্প্রতি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি তার স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বলেছিলেন, “আমি কর্মীদের বলেছি মার খেয়ে আসবেন না। মার দিতে এলে পাল্টা মার দিয়ে আসবেন।” তার এই মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
এছাড়াও, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অবস্থানের প্রতিও সমর্থন জানান মিঠুন চক্রবর্তী। SIR (Systematic Improvement of Records) নিয়ে তিনি বলেন, “কমিশন যেটা বলছেন সেটাই হবে। যত চুরি-চামারি হত বন্ধ হয়ে যাবে। ভুয়ো ভোট বন্ধ হয়ে যাবে।”
এই মামলার রায় মিঠুন চক্রবর্তীর জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। হাইকোর্টের এই নির্দেশের ফলে আপাতত তিনি তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে পারবেন। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর রাজ্য সরকারের কেস ডায়েরি জমা দেওয়ার পর আদালতের পরবর্তী নির্দেশ কী হয়, সেদিকেই এখন সবার নজর।