PM kisan-নিধির ২০তম কিস্তি আসছে, কত টাকা পাবেন? দেখেনিন এই পদ্ধতিতে

প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার আওতায় দেশের কৃষকরা বছরে তিন কিস্তিতে মোট ৬,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পান। গত ২৪শে ফেব্রুয়ারি ১৯তম কিস্তি প্রকাশের পর চার মাস পেরিয়ে গেছে, এবার দেশজুড়ে কৃষকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন প্রকল্পের ২০তম কিস্তির জন্য। ধারণা করা হচ্ছে, আগামীকাল, ১৮ই জুলাই, ২০২৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের দিনই এই কিস্তি প্রকাশ হতে পারে। তবে, এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, যা কৃষকদের মধ্যে এক ধরনের প্রত্যাশা ও জল্পনা তৈরি করেছে।

কীভাবে জানবেন আপনার কিস্তি এসেছে কিনা?
২০তম কিস্তির টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে কিনা, তা জানতে নিম্নলিখিত ধাপগুলি অনুসরণ করুন:

১. সর্বপ্রথমে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://pmkisan.gov.in-এ যান।
২. ওয়েবসাইটের হোমপেজে ‘Beneficiary Status’ (উপভোক্তার অবস্থা) অপশনটি নির্বাচন করুন।
৩. এবার আপনার আধার নম্বর, মোবাইল নম্বর অথবা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর— যেকোনো একটি তথ্য প্রবেশ করান।
৪. স্ক্রিনে প্রদর্শিত ক্যাপচা কোডটি সঠিকভাবে লিখুন।
৫. সবশেষে ‘Get Data’ (তথ্য পান) বোতামে ক্লিক করুন।
৬. আপনার স্ক্রিনে কিস্তির সমস্ত বিবরণ চলে আসবে, যেখানে আপনি আপনার সর্বশেষ কিস্তির স্থিতি দেখতে পারবেন।

আধার ভিত্তিক ই-কেওয়াইসি করার পদ্ধতি:
প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার সুবিধা পেতে ই-কেওয়াইসি (e-KYC) করা আবশ্যক। আধার ভিত্তিক ই-কেওয়াইসি করার জন্য এই ধাপগুলি অনুসরণ করুন:

১. পিএম-কিষাণ পোর্টালে (pmkisan.gov.in) লগইন করুন।
২. হোমপেজে ‘Aadhaar OTP based e-KYC’ (আধার ওটিপি ভিত্তিক ই-কেওয়াইসি) অপশনটিতে ক্লিক করুন।
৩. আপনার আধার নম্বর এবং রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে আসা ওটিপি (OTP) দিন।
৪. যদি সঠিকভাবে যাচাই করা হয়, তবে আপনি একটি নিশ্চিতকরণ বার্তা (Confirmation Message) পাবেন।

কেন দেওয়া হয় এই আর্থিক সহায়তা?
কৃষকদের কৃষি উপকরণ কেনা এবং দৈনন্দিন গৃহস্থালির খরচ মেটানোর লক্ষ্যে ভারত সরকার এই উদ্যোগ চালু করেছে। এর আওতায়, দেশের প্রতিটি যোগ্য কৃষক প্রতি বছর ৬,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পান। এই অর্থ প্রতি চার মাস অন্তর ২,০০০ টাকা করে তিনটি সমান কিস্তিতে সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিতরণ করা হয়।

আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে ২০তম কিস্তি প্রকাশের সম্ভাবনা নিয়ে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল এবং আশা কাজ করছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।