কসবা কাণ্ডে SIT তদন্তে আস্থা নির্যাতিতার পরিবারের, হাইকোর্টে অগ্রগতি রিপোর্ট ও কেস ডায়েরি তলব

কসবা কলেজের ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট আজ (বৃহস্পতিবার) বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) এর তদন্তের অগ্রগতি রিপোর্ট তলব করেছে। বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে এই রিপোর্ট এবং মামলার কেস ডায়েরি জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে। ওই দিনই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

SIT তদন্তে পরিবারের আস্থা:

আদালতে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় ছিল, নির্যাতিতার পরিবারের প্রতিক্রিয়া। পরিবারের আইনজীবী অরিন্দম জানা এবং ঝুমা সেন আদালতে জানিয়েছেন যে, তাঁরা কলকাতা পুলিশের SIT তদন্তে আপাতত সন্তোষ প্রকাশ করছেন। তাঁরা আদালতকে নিশ্চিত করেছেন যে, নির্যাতিতা SIT তদন্ত থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য পাচ্ছে এবং পরিবারও তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছে।

নির্যাতিতার বাবার প্রতিক্রিয়া:

News18 বাংলার প্রতিনিধি অর্ণব হাজরার প্রশ্নের জবাবে নির্যাতিতার বাবা তদন্ত ও বিচার নিয়ে তাঁর আস্থা প্রকাশ করেছেন।

অর্ণব হাজরা: রাজ্যের SIT তদন্তে কি আপনাদের আস্থা আছে?

নির্যাতিতার বাবা: হ্যাঁ, SIT-এর তদন্তে আস্থা রয়েছে।

অর্ণব হাজরা: আপনারা কি সিবিআই তদন্ত চান?

নির্যাতিতার বাবা: CBI বা কোনো কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্ত চাইছি না।

অর্ণব হাজরা: রাজ্যের সিনিয়র আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় হাইকোর্টে বলেছেন, FIR রুজুর ৩ ঘন্টার মধ্যে লেডি অফিসার মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে?

নির্যাতিতার বাবা: সঠিক কথা বলেছেন উনি।

অর্ণব হাজরা: সেদিনের ঘটনা নিয়ে কিছু বলতে চান?

নির্যাতিতার বাবা: কলেজের মধ্যের মূল ঘটনা নিয়ে এই মুহূর্তে কোনো প্রতিক্রিয়া নয়।

অর্ণব হাজরা: ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করেন?

নির্যাতিতার বাবা: যেভাবে তদন্ত চলছে, আশা করি ন্যায়বিচার পাব।

আদালতে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

আজ বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চে জনস্বার্থ মামলায় নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষে আইনজীবী অরিন্দম জানা ও পৃথ্বীশ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যে, পরিবার SIT তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছে। একইসঙ্গে তাঁরা নির্যাতিতার পরিচয় গোপন রাখার বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন।

হাইকোর্টের এই নির্দেশ এবং নির্যাতিতার পরিবারের আস্থাপ্রকাশ কসবা কাণ্ডের তদন্ত প্রক্রিয়ায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ১০ জুলাই পরবর্তী শুনানিতে SIT কী রিপোর্ট পেশ করে এবং আদালত কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই এখন সবার নজর।