পহেলগাম হত্যাকাণ্ডের পর পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার দাবি ফারুক আবদুল্লাহর

জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ হামলার পর ন্যাশনাল কনফারেন্সের সভাপতি ফারুক আবদুল্লাহ স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, পাকিস্তানকে এমনভাবে উচিত শিক্ষা দেওয়া দরকার যাতে ভবিষ্যতে তারা আর কখনও পহেলগাঁওয়ের মতো নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটানোর সাহস না পায়। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পাকিস্তান সরকারকে কড়া বার্তা দিয়েছেন।

তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, ১৯৪৭ সালেই জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষ দ্বিজাতিতত্ত্বকে প্রত্যাখ্যান করে সিন্ধুনদে বিসর্জন দিয়েছে। আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভুল ধারণার মধ্যে রয়েছে। তারা যদি ভেবে থাকে যে ২০২৫ সালে কাশ্মীরের মানুষের মন পরিবর্তন হয়েছে, তাহলে তারা চরম ভুল করছে। জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণ কোনোদিনও পাকিস্তানের হাত ধরবে না; তারা সবসময় ভারতের সঙ্গেই থাকবে।

উল্লেখ্য, এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ এতদিন কাশ্মীরে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার পক্ষে সওয়াল করে আসছিলেন, যার জন্য তাঁকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতাদের সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে। সোমবার তিনি সেই প্রসঙ্গে টেনে বলেন যে, পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর তিনি আর পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার কথা বলছেন না। তাঁর মতে, এখন প্রতিবেশী দেশটিকে একটি যথার্থ শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন।

কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ আর্জি, ভারত এমন কড়া জবাব দিক যাতে পাকিস্তান বুঝতে পারে জঙ্গিদের মদত দেওয়ার পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে। ফারুক আবদুল্লাহর এই বক্তব্য পহেলগাঁও হামলার পর ভারতের রাজনৈতিক মহলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান কঠোর মনোভাবেরই প্রতিফলন।