বিয়ের পরের দিনই জন্মদিনে চেনা মেজাজে দিলীপ, 2026-এর নির্বাচন নিয়ে দিলেন বড় ইঙ্গিত

শুভ বিবাহের রেশ কাটতে না কাটতেই শুভ জন্মদিন! শুক্রবার সন্ধ্যায় সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন বঙ্গ রাজনীতির দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষ। শনিবার, বিয়ের পরের দিনই, তাঁর জন্মদিন। আর জন্মদিনের সকালেই সেই চেনা মেজাজে দেখা গেল রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতিকে। ইকো পার্কে প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, “আজ থেকে আবার দলের কাজ শুরু।” একইসঙ্গে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ।

বিজেপির কর্মী রিঙ্কু মজুমদারের সঙ্গে ইকো পার্কেই প্রথম আলাপ দিলীপ ঘোষের। সেই আলাপই পরিণতি পেল বিবাহবন্ধনে। মায়ের ইচ্ছাকে মর্যাদা দিতে ৬১ বছর বয়সে রিঙ্কুর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন সঙ্ঘের দিলীপ।

বিয়ের পরের দিন সকালে ইকো পার্কে প্রাতর্ভ্রমণে যান দিলীপ। সেখানে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হন বহু মানুষ। কেক, পায়েস-সহ বিভিন্ন খাবারের আয়োজন করা হয়। ইকো পার্কেই ঘটা করে জন্মদিন পালন করা হয় দিলীপের।

বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর কি রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাবেন দিলীপ? শুক্রবার এমন চর্চা চললেও, বিয়ের পরের দিন সকালে সংবাদমাধ্যমের সামনে দিলীপবাবু স্পষ্ট করে দেন, “আজ থেকে আবার দলের কাজ শুরু। নিজের কর্মক্ষেত্র খড়গপুরে চলে যাব। দল যে দায়িত্ব দিয়েছে, তাই পালন করব।” ইকো পার্কে জন্মদিন পালন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনেকে ফুল নিয়ে এসেছেন। সকলে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।”

এরপরই রাজনৈতিক প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “বাংলার মানুষ যখন পরিবর্তন মনে করবে, তখন পরিবর্তন হবে। সেটা শুরু হয়ে গিয়েছে। পাবলিক শেষ কথা বলবে, পাবলিক বলতে শুরু করেছে।” ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে।