OMG! চিকিৎসকের সঙ্গে মহিলাদের অশ্লীল ছবি ভাইরাল, বাংলায় ফের তুলকালাম কান্ড

নদিয়ার শান্তিপুরের ফুলিয়া টাউনশিপ এলাকায় এক চিকিৎসকের সঙ্গে একাধিক মহিলার অশ্লীল ছবি ভাইরাল হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যদিও TechInformetix এই ভাইরাল ছবিগুলির সত্যতা যাচাই করেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ফুলিয়া টাউনশিপ এলাকায় একটি ফার্মেসিতে বিভিন্ন চিকিৎসক নিয়মিত বসতেন এবং সেখানে চিকিৎসার নামে অশালীন কাজ চালানো হত বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এই ঘটনার পর্দা ফাঁস হয়, যখন অভিযুক্ত চিকিৎসক অমিয় দাসের সঙ্গে বেশ কিছু মহিলার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।
এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরই স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সোমবার সকাল থেকেই উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত ফার্মেসি বন্ধের দাবিতে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিপুর থানার পুলিশ। পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ফার্মেসির মালিক প্রদীপ বিশ্বাসকে গ্রেফতার করেছে। তবে অভিযুক্ত চিকিৎসক অমিয় দাস এখনও পর্যন্ত পলাতক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ফুলিয়া ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দীর্ঘদিনের চিকিৎসক অমিয় দাস ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কাছেই একটি ওষুধের দোকানে নিয়মিত চিকিৎসা করতেন। বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি ওই দোকানে রোগী দেখছিলেন। অভিযোগ, চিকিৎসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে অশালীন কার্যকলাপ চলত। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, ফার্মেসির মালিক প্রদীপ বিশ্বাস মহিলাদের অন্তরঙ্গ কাজকর্মের জন্য চিকিৎসকের কাছে পাঠাতেন।
এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বও সরব হয়েছেন। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। সিপিএমের নেতারা বলেছেন, রাজ্যের চিকিৎসার ব্যবস্থা তলানিতে এসে ঠেকেছে। একজন চিকিৎসক চিকিৎসার নামে কীভাবে এ ধরনের ঘৃণ্য কাজ করতে পারেন, তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। অন্যদিকে, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকেও এই ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে অভিহিত করা হয়েছে এবং সমাজের ভারসাম্য বজায় রাখতে অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং পলাতক চিকিৎসকের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। ফার্মেসির মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। এই ঘটনায় ফুলিয়া টাউনশিপ এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।