যুবতীর সঙ্গে ফ্লার্টিং, জোর করে বাড়িতে ঢুকে পুলিশ অফিসার বললো ‘আমার তোকেই চাই’, অতঃপর..

পুলিশ কি ইচ্ছে মতো যা খুশি করতে পারে? ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে এক সাব-ইন্সপেক্টরের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় যুবতী ও তাঁর পরিবারকে থানায় তুলে আনার অভিযোগ উঠল। এই চরম অন্যায়ের মাশুল দিতে হল ওই পুলিশ অফিসারকে—চাকরি খোয়ালেন তিনি।
ধানবাদ পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর সোনু কুমার দীর্ঘদিন ধরে এক যুবতীর সঙ্গে ফ্লার্ট করার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু মেয়েটি তাঁর প্রতি কোনো আগ্রহ দেখাননি। বরং প্রেমের প্রস্তাব সোজাসুজি প্রত্যাখ্যান করেন।
দুই দিন আগে অভিযুক্ত সাব-ইন্সপেক্টর পুলিশ বাহিনী নিয়ে সরাসরি মেয়েটির বাড়িতে পৌঁছে যান। সেখানে গিয়ে জোর করে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন।
যুবতী রাজি না হওয়ায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের থানায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।থানায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখা হয় তাঁদের।পরিবারের অনুরোধ সত্ত্বেও কাউকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি।
এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই ধানবাদের এসএসপি পি জনার্দন কড়া পদক্ষেপ নেন।সোনু কুমারকে স্টেশন হাউস ইনচার্জ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং পদস্থলন করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী যুবতীর মা জানান, তাঁর মেয়ের বিয়ে আগেই অন্যত্র ঠিক হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই সোনু কুমারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়। কিন্তু তিনি উর্দির ক্ষমতা দেখিয়ে পুরো পরিবারকে থানায় ধরে নিয়ে যান।
এই ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। জনগণের রক্ষক হয়েও কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থে ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।