‘ক্রিমিনাল ব্রাত্য’, বাড়ির সামনে ‘ওয়ান্টেড’ পোস্টার পড়তেই CPM নেতাকে তলব পুলিশের

শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বিরুদ্ধে বিতর্কিত পোস্টার ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পোস্টারে তাঁকে ‘ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনায় মঙ্গলবার সিপিএমের উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সাধারণ সম্পাদক পলাশ দাসকে লেকটাউন থানায় প্রায় ৪৫ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

গত ৭ মার্চ শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির সামনে, কালিন্দী এলাকায়, একাধিক পোস্টার দেখা যায়।পোস্টারে লেখা ছিল:“ব্রাত্য বসু ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রকে গাড়ি চাপা দিয়ে পলাতক। সন্ধান পেলে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে খবর দিন।”

অভিযোগ উঠেছে, এইসব পোস্টার এসএফআই-এর তরফ থেকে লাগানো হয়েছিল।এক স্থানীয় বাসিন্দা, শুভঙ্কর মুখোপাধ্যায়, লেকটাউন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তিনজনকে শনাক্ত করে।এরপর সিপিএম নেতা পলাশ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে নোটিস পাঠায় লেকটাউন থানার পুলিশ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার কিছু পরে পলাশ দাস লেকটাউন থানায় যান।তাঁর সঙ্গে ছিলেন গার্গী চট্টোপাধ্যায়, মানস মুখোপাধ্যায়, সপ্তর্ষি দেব-সহ আরও অনেকে।পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা তিনজনকে চেনেন কি না, তা জানতে চাওয়া হয়।৪৫ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদের পর তিনি থানার বাইরে আসেন।

গত ১ মার্চ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়েবকুপার বার্ষিক সাধারণ সভা ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বিরুদ্ধে শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ ওঠে।অন্যদিকে, এক ছাত্র মন্ত্রীর গাড়ির নিচে চাপা পড়ে আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।তৃণমূল এই অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।এর আগে সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য সৃজন ভট্টাচার্যকেও একই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছিল।এই ঘটনার জেরে শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের চাপ আরও বাড়ছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।