“চাকরি যাবে ১১০০ জনের?”-মার্জ হওয়ার পর JIO HOTSTAR করছে কর্মী ছাটাইয়ের পরিকল্পনা

জিও এবং হটস্টারের সংযুক্তির ফলে তৈরি হয়েছে জিওহটস্টার। ২০২৪ সালের নভেম্বরে এই মার্জারের পর সংস্থাটিতে বেশ কিছু পদে অতিরিক্ত কর্মী থাকায় এবার কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জিওহটস্টার। সূত্রের খবর, প্রায় ১ হাজার ১০০ কর্মীকে ছেঁটে ফেলার পরিকল্পনা করছে এই সংস্থা। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গত এক মাস ধরে এই ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং তা ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত চলবে।

দুই সংস্থা একত্রিত হওয়ার পর একটি কমন প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে। এই নতুন প্ল্যাটফর্মে একই পদে একাধিক কর্মী থাকায় জটিলতা দেখা দিয়েছে। ওয়াকিবহাল সূত্র জানিয়েছে, ডিস্ট্রিবিউশন, ফিনান্স, কমার্শিয়াল এবং লিগাল ডিপার্টমেন্টে এই ছাঁটাইয়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে। তবে যাঁদের ছাঁটাই করা হবে, তাঁদের জন্য আকর্ষণীয় ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করেছে সংস্থা। সূত্রের খবর, ছাঁটাইপ্রাপ্ত কর্মীরা সর্বোচ্চ ৬ মাসের বেতন পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন। ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ভর করবে কর্মীর সংস্থায় কাজের মেয়াদের ওপর।

ভায়াকম ১৮ এবং জিওস্টারের মার্জারের ফলে জন্ম নেওয়া জিওহটস্টার এখন ভারতের সবচেয়ে বড় মিডিয়া ও এন্টারটেনমেন্ট কোম্পানি। এই সংযুক্তির ফলে সংস্থাটির কনটেন্টের পরিধিও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই ছাঁটাই প্রক্রিয়া নিয়ে জিওহটস্টারের এক কর্তা, যিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বলেছেন, “যখন একই ক্ষেত্রের দুটি বৃহৎ সংস্থা একত্রিত হয়, তখন এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। কর্মীদের মধ্যে ডুপ্লিকেশন কমিয়ে এনে ওয়ার্ক ফোর্সকে আরও কার্যকর করতে এমন পদক্ষেপ নিতে হয়। এটি এড়ানো যায় না।”

এই ছাঁটাই প্রক্রিয়া নিয়ে কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তবে সংস্থার তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের মার্জারের পর কর্মী ছাঁটাই সাধারণ ঘটনা হলেও, জিওহটস্টারের মতো বৃহৎ সংস্থার ক্ষেত্রে এর প্রভাব বাজারে এবং কর্মীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে পড়তে পারে।