কেন বারবার গতির সীমা লঙ্ঘন ‘অবাধ্য’ ট্রেন চালকদের? চালক ও রেলবোর্ডের মধ্যে বিশেষ বৈঠক

ভারতের প্রথম বাই-স্পিড ট্রেন গতিমানের লোকো পাইলট এবং সহকারী লোকো পাইলট ট্রেনের গতিসীমা ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় বাড়িয়ে দেন, যা নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি ছিল।

কয়েকদিন পর, মালওয়া এক্সপ্রেস ট্রেনের চালকরাও একই স্থানে ট্রেনের গতি ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় বাড়িয়ে দেন।এই ঘটনাগুলির জের ধরে, রেলওয়ে বোর্ড ৩ জুন সকল জোনে একটি সার্কুলার জারি করে।

রেলওয়ে বোর্ড ৫ জুন একটি ভার্চুয়াল বৈঠক আয়োজন করে যাতে ১৮০ জনেরও বেশি লোকো পাইলট এবং লোকো ইন্সপেক্টর অংশ নেন।
বৈঠকে, লোকো পাইলটরা গতির বিধিনিষেধ আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

কিছু উল্লেখযোগ্য পরামর্শের মধ্যে রয়েছে:
ট্রেন গার্ডদেরকে ওয়াকিটকির মাধ্যমে চালকদেরকে গতির সীমা শুরু হওয়ার ৩ কিলোমিটার আগে স্মরণ করিয়ে দেওয়া।চালকদের জন্য বিভিন্ন রঙের হাইলাইটার ব্যবহার করে বিধিনিষেধ চিহ্নিত করা।লোকো পাইলট এবং তাদের সহকারীদের জন্য বিস্তারিত রুট চার্ট এবং সতর্কতা সহ একটি অপারেটিং বিভাগ থেকে অনুমোদিত ডকুমেন্ট প্রদান করা।

ফলাফল:

রেলওয়ে বোর্ড একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যা এই পরামর্শগুলি পর্যালোচনা করবে এবং নিরাপদ ট্রেন পরিচালনার জন্য গতির বিধিনিষেধ সম্পর্কিত অপারেশন নিয়মাবলীতে পরিবর্তন করার প্রয়োজন আছে কিনা তা নির্ধারণ করবে।

গুরুত্বপূর্ণ দিক:

এই ঘটনাগুলি রেল নিরাপত্তার গুরুত্বের উপর আলোকপাত করে এবং গতির বিধিনিষেধ আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
রেলওয়ে বোর্ড লোকো পাইলট এবং অন্যান্য কর্মীদের সাথে পরামর্শ করে এই সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।