বিশেষ: এই লেকেই রয়েছে হিটলারের নাৎসি বাহিনীর লুকোনো সোনা! কোথায় গেল সেই গুপ্তধন?

১৯৩৮ সালে, হিটলারের নেতৃত্বে নাৎসি জার্মানি অস্ট্রিয়া দখল করে। অস্ট্রিয়ান আল্পসের ঘন বনানীতে অবস্থিত লেক টপলিটজ, তখন নাৎসিদের নজরে আসে। তারা এই লেকের তীরে তাদের নৌবাহিনীর জন্য একটি গোপন পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করে।

নাৎসি ষড়যন্ত্র:

হিটলার ‘অপারেশন বার্নহার্ড’ নামে একটি ষড়যন্ত্র প্রণয়ন করেন। এই ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তারা ব্রিটেনের জাল নোট ছাপিয়ে তাদের অর্থনীতি ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন। টপলিটজ লেক এই ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

যুদ্ধোত্তর রহস্য:

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে, বিজয়ী মিত্ররা টপলিটজ লেকে লুকানো নাৎসি সম্পদের সন্ধান শুরু করে। ১৯৫৯ সালে, লেক থেকে ৭০০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের জাল নোট উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনা টপলিটজ লেককে বিশ্বব্যাপী আলোড়িত করে তোলে। অনেকে বিশ্বাস করতে শুরু করে যে লেকের তলদেশে প্রচুর পরিমাণে সোনা লুকিয়ে আছে।

অন্ধকার রহস্য:

টপলিটজ লেকের রহস্য এখনও সমাধান হয়নি। লেকের ঠান্ডা, অক্সিজেনহীন জলে প্রাণ ধারণ করা অসম্ভব। ফলে, লেকে পতিত বস্তুগুলি পচে যায় না। অনেক অভিযাত্রী লেকের রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করে প্রাণ হারিয়েছেন।

আজকের টপলিটজ:

আজ টপলিটজ লেক পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত। তবে, লেকের গভীরতম অংশে যাওয়া নিষিদ্ধ। লেকের রহস্য এখনও অবিকল্পিত, এবং সময়ের সাথে সাথে নতুন কিছু উন্মোচিত হওয়ার সম্ভাবনা সবসময়ই থাকে।

মূল বিষয়:
অস্ট্রিয়ায় অবস্থিত টপলিটজ লেক ৭১৮ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।লেকটি ১.৬১ কিলোমিটার লম্বা এবং ৫০০ থেকে ১,৩০০ ফুট প্রস্থ।লেকটি ৩০০ ফুট গভীর।লেকের ৬০ ফুটের নিচে জল অত্যন্ত নোনতা এবং অক্সিজেনহীন, ফলে সেখানে কোন প্রাণী বেঁচে থাকতে পারে না।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, নাৎসিরা লেকটিকে তাদের নৌবাহিনীর জন্য একটি গোপন পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করে।১৯৫৯ সালে, লেক থেকে ৭০০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
লেকের তলদেশে প্রচুর পরিমাণে সোনা লুকিয়ে আছে বলে বিশ্বাস করা হয়।