“মমতাদি, অখিলেশ, উদ্ধব, তেজস্বী সকলে জেলে যাবেন”-মোদির ‘ভয়ঙ্কর’ খেলা নিয়ে সরব কেজরিওয়াল

২০২৪ এ লোকসভা নির্বাচনে সরগরম দেশের রাজনীতি। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা বিভিন্ন সভা ও মঞ্চে দিচ্ছেন তাদের ভাষণ।আবার কোথায়ও কোথাও চলছে একে অপরের বিরুদ্ধে কথার লড়াই। আবার কোথাও চলছে সরকারি সুবিধা ও অসুবিধা পাওয়া -না পাওয়ার বিষয়ে চর্চা।

জেল থেকে বেরিয়ে হনূমান পুজো দিয়ে আজ দেশবাসীর উদ্যেশে প্রথম ভাষণ দিলেন কেজরিওয়াল।

এদিন বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেন, ‘৫০ দিন পর জেল থেকে সরাসরি আপনাদের মাঝে এসে আমি আপ্লুত। বজরংবলীর আশীর্বাদে চমৎকার হল। ভোটের মধ্যে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে গেলাম। আমাদের দল একটি ছোট পার্টি। মাত্র ১০ বছরের পুরনো। তবে সেটিকে নষ্ট করে দিতে প্রধানমন্ত্রী কোনও কসুর বাকি রাখেনি। একসঙ্গে চারজন শীর্ষনেতাকে জেলবন্দি করে দেন। বড় বড় পার্টির চারজন শীর্ষনেতা জেলে গেলে দল উঠে যায়। কিন্তু, আমাদের আম আদমি পার্টিকে যত খতম করতে চাইছে আমরা ততই বেড়ে উঠছি। উনিও জানেন, আগামীদিনে আম আদমি পার্টিই BJP-কে কেন্দ্রে চ্যালেঞ্জ জানাবে। তাই এই ষড়যন্ত্র।’

অরবিন্দ কেজরিওয়াল এদিন বলেন, ‘দেশের সবচেয়ে বড় চোর-ডাকাতকে পার্টিতে সামিল করেছেন। আর আমায় জেলে পুড়ে বলছেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ছি। আমি ওঁকে একটাই কথা বলতে চাইছি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে যদি লড়াই করতে হয় তাহলে কেজরিওয়ালকে দেখে শিখুন।’

কেজরিওয়াল বলেন, ‘২০১৫ সালে আমার এক মন্ত্রী দোকানদারের থেকে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ চেয়েছিলেন। আমার কাছে হোয়াটসঅ্যাপে সেই ভিডিয়ো এসেছিল। কেউ জানতেই পারেনি আমি সেই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করিয়ে তাঁকে জেলে পাঠিয়েছিলাম।’

কেজরিওয়াল বলেন, ‘ভয়ংকর মিশন চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই মিশনের নাম ওয়ান নেশন ওয়ান লিডার। দেশের সমস্ত নেতাকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চাইছেন তিনি। সমস্ত বিরোধী নেতাকে জেলে ভরে দেবেন। আমায় জেলে পাঠিয়ে তিনি শিক্ষা দিতে চাইছেন, কেজরিওয়ালকে যদি জেলে ভরা যায় তাহলে বাকি যে কোনও নেতাকে কোনও অপরাধ ছাড়াই জেলবন্দি করা যাবে। আমি হলফনামায় সই করে দিয়ে বলতে পারি, উনি যদি ফের ক্ষমতায় আসেন, মমতাদিদি জেলবন্দি হবেন, অখিলেশ, উদ্ধব, তেজস্বী সকলে জেলে যাবেন।’