বর্ডারে এত বাহিনী কেন? প্রশ্ন তুলে ভারতকে রক্তচক্ষু চিনের

গত কয়েক দিন ধরে ভারতের বিদেশমন্ত্রী চিনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছেন যে, বেজিং যদি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি মেনে না চলে, তাহলে ইন্দো-চিন সীমান্তে শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।

এবার চিনা সীমান্তে এক হাজার অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের কারণে ভারতকে একহাত নিয়েছে বেইজিং। সেই সাথে জানিয়ে দিয়েছে, সীমান্তে শান্তি ফেরাতে চিন-ই আগ্রহী।

চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং বলেছেন, “ভারত ইন্দো-চিন সীমান্তে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করছে, সেটা বর্ডার এলাকায় শান্তি ফেরাতে বা নিরাপত্তা বজায় রাখতে মোটেই সাহায্য করবে না। চিন কিন্তু ভারত সীমান্তে স্থিতাবস্থা এবং শান্তি বজায় রাখতে আগ্রহী।”

২০২০-এর গলওয়ান সংঘর্ষ এবং তার প্রভাব:

২০২০-এর মে মাসে গলওয়ানে ভারত-চিন সংঘর্ষ থেকে দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে অবনতির সূত্রপাত। এই সংঘর্ষে একাধিক ভারতীয় সেনা শহিদ হয়েছিলেন। তার পর থেকে ইন্দো-চিন সীমান্তে দু’পক্ষই বাহিনী বৃদ্ধি করেছে।

ভারতের পদক্ষেপ:

২০২১ সালে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়াতে ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে ভারত।সম্প্রতি সেই বাহিনীর সাথে আরও এক হাজার সেনা যুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।৯ হাজার সেনাকে নতুন করে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।এই কম্বাইনড ফোর্স উত্তরাখণ্ড এবং হিমাচলের সাথে থাকা চিনের সীমান্তে টহলদারির কাজ চালাবে।

চিনের দাবি:
চিন দাবি করে, ভারতের অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন সীমান্তে উত্তেজনা বাড়াবে।চিন সীমান্তে স্থিতাবস্থা এবং শান্তি বজায় রাখতে আগ্রহী।দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।

ইন্দো-চিন সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে দু’দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকা জরুরি।দ্বিপাক্ষিক চুক্তি মেনে চলা এবং সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার জন্য উভয় পক্ষকেই পদক্ষেপ নিতে হবে।