Election: এক দফায় ভোটের দাবি তৃণমূলের, কমিশনের বৈঠকেও উঠলো সন্দেশখালি প্রসঙ্গ

২০২৪ সালের ৪ঠা মার্চ, সোমবার নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেস আধা সেনার ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ জানায়। পাল্টা, সিপিএম-বিজেপি রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

শাসক দল তৃণমূলের দাবি:

রাজ্যে একদফায় ভোট করানোর জন্য আবেদন
ভোট দেওয়ার জন্য ১১টি আইডি কার্ড গ্রহণযোগ্য রাখতে হবে
কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বিজেপি নিয়ন্ত্রণ না করে
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কড়া নজর রাখা
কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি না করে

তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করানোর জন্য আবেদন করেছি। নির্বাচন কমিশন যা ব্যবস্থা নেবে, তা গ্রহণ করতে প্রস্তুত। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যেন বিজেপি নিয়ন্ত্রিত না করে।

বিরোধী দলগুলির অভিযোগ:

বিজেপি: রাজ্য পুলিশ অপরাধীদের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করছে

সিপিএম: ভুয়ো ভোটার তালিকা, ভোট লুঠ

কংগ্রেস: নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের দাবি

বিজেপি দলের প্রতিনিধি জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে জনগণ হিংসা দেখেছে সারা রাজ্য জুড়ে। শেখ শাহজাহাননের ঘটনা প্রমাণ করে, অপরাধীদের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করছে পুলিশ। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করতে এসে পর্যবেক্ষকরা যেন রাজ্য পুলিশের কথায় বিশ্বাস না করে।’

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা:

ভোট ঘোষণা হয়ে গেলে রাজনৈতিক দলগুলোর করণীয়
প্রচারের সময় কোন কোন কাজ করা যাবে না
নির্দেশ না পালন করলে পদক্ষেপ

আজকের বৈঠকের তাৎপর্য:

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও অবাধ করার জন্য নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ
রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগ ও দাবি শোনা
নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া

পরবর্তী পদক্ষেপ:

নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগ ও দাবি পরীক্ষা করে দেখবে
নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে নির্দেশিকা জারি করা হবে
এই বৈঠক রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

নির্বাচন কমিশন রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গেও আজ বৈঠক করেছে।
নির্বাচন কমিশন ভোট ঘোষণার তারিখ এখনও ঘোষণা করেনি।
রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনে চলার আশ্বাস দিয়েছে।
এই বৈঠকের ফলাফল রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের পরিবেশ কেমন হবে তা নির্ধারণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।