টাকা আর গ্ল্যামারের টানে ওপার বাংলার নীল দুনিয়ায় রাজত্ব! কলকাতার সেই অভিনেত্রীর আসল পরিচয় জানলে চমকে যাবেন

সময়টা আটের দশক। তখনও সমাজের চোখে নীল ছবির নায়িকারা ব্রাত্য হলেও, এই ইন্ডাস্ট্রিতে উপার্জনের রাস্তা ছিল অবাধ। আর সেই লোভেই অনেক নায়িকা সেকালে বেনামে ও গোপনে পা বাড়াতেন কাঁটাতারের ওপারে। শোনা যায়, এপার বাংলারই এক জনপ্রিয় নায়িকা সেসময় পদ্মাপারের নিষিদ্ধ দুনিয়ায় চুপিচুপি পৌঁছে গিয়েছিলেন এবং নিজের সাবলীল অভিনয়ের সুবাদে অল্পদিনেই সেখানকার নীল ছবির জগতে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন।
ওপার বাংলায় ‘বিবি পায়রা’ হয়ে ওঠা ও টলিউডকে ব্যান
বাংলাদেশের সেই ‘বিশেষ’ সাইট খুললেই তখন নাকি কেবল ওই অভিনেত্রীর ছবি দেখা যেত। ওপার বাংলায় তাঁকে বলা হতো ‘বিবি পায়রা’। তাঁর এই বিশাল রমরমা ও প্রভাব দেখে কলকাতার আরও বেশ কয়েকজন নায়িকাও লোভের বশে ওপার বাংলার নিষিদ্ধ দুনিয়ায় পাড়ি জমানোর চেষ্টা করেছিলেন, এবং অনেকে সফলও হয়েছিলেন।
তবে বাংলার অভিনেত্রীদের এই অবাধ আনাগোনা ও দাপট বাড়তেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। ওপার বাংলার সরকার বাধ্য হয়ে টলিউডের উপর সাময়িক ‘ব্যান’ জারি করে এবং কলকাতার শিল্পীদের ভিসা বাতিল করে। এমনকি সেই বিশেষ অভিনেত্রীর ভিসাও বাতিল করা হয়, যার ফলে ধীরে ধীরে তাঁর সেই রমরমা সাম্রাজ্যে ভাটা পড়ে।
বর্তমানের রাজনৈতিক পরিচয়
কলকাতায় ফিরে আসার পর কিছুকাল মঞ্চ ও বড় পর্দায় বিক্ষিপ্তভাবে কাজ করলেও একটা দীর্ঘ বিরতি নেন ওই অভিনেত্রী। কিন্তু সময়ের ফেরে এবং রাজ্য রাজনীতির পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গেই সম্পূর্ণ বদলে যায় তাঁর ভাগ্য। অতীতে নীল ছবির দুনিয়ায় ঝড় তোলা সেই অভিনেত্রী বর্তমানে রাজনীতির ময়দানে নেমে রীতিমতো দাপট দেখাতে শুরু করেছেন।