হাতির হানায় ক্ষয়ক্ষতি ফসল, ঘরবাড়ি সুপারি বাগান, বনকর্মীদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ গ্রামবাসীদের

কালচিনি ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় চলমান হাতির আক্রমণ লক্ষ্য করা গেছে। বন দফতরের পক্ষ থেকে কিভাবে হাতির আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হয় তা জানানো হয় । হাতির আক্রমণে আহত হলে কি কি করণীয় তা জানান হল। কালচিনি জেলার পূর্ব সাতালি সহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা হাতির আক্রমণের আশঙ্কা করছেন৷ এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা কার্যালয়ে গিয়ে প্রতিবাদ জানান।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিদিনই তাদের গ্রামে হাতি হানা দেয়। ফসল ও ঘরবাড়ি সুপারি বাগান নষ্ট করে। বন কর্তৃপক্ষ হাতি মুক্ত করতে খুবই ধীর। হাতি ফসল ও ঘরবাড়ি ধ্বংস করার পর বনকর্মীরা গ্রামে আসেন।
বনকর্মীদের না যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন রেঞ্জ অফিসার অঙ্কণ নন্দী। তিনি জানান, “রেঞ্জের এলাকা অনেকটা বড়। সব এলাকায় বনকর্মীরা পৌঁছতে পারে না। তবে বন দফতরের তরফে টর্চ লাইট,পটকা দেওয়া হয় এলাকাবাসীদের। এলাকায় হাতি দেখলে প্রথমে পটকা পোড়াতে হবে। সবার আগে নিজেদের চেষ্টা চালাতে হবে। বনকর্মীরা পৌঁছবে অবশ্যই। ক্ষয়ক্ষতি হলে বন দফতরের ফর্ম ফিলআপ করতে হবে।”