শীতে এই ৪ খাবার খেলেই বাড়বে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি : গবেষণা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও ) মতে, বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে হৃদ্‌রোগ। জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতন না হলে এই ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে যে কোনো বয়সের নারী-পুরুষ। তাই সময় থাকতেই লাইফস্টাইল ও ডায়েটে পরিবর্তন আনাটা বেশ জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় এসব খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে। কারণ এসব খাবার অসময়ে হৃদ্‌রোগ, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের মতো মারাত্মক রোগগুলোকে ডেকে নিয়ে আসতে পারে।

চিকিৎসকরা বলছেন, এসব খাবার খাওয়ার পাশাপাশি শারীরিক কার্যকলাপ বা ব্যায়াম না করার অভ্যাস থাকলে এসব রোগের ঝুঁকি বেড়ে আরও দ্বিগুণ হয়ে যায়।

তাই আজকের আয়োজনে জেনে নিন সেসব খাবারের নাম যেগুলো ঠান্ডা আবহাওয়ায় খাওয়া থেকে নিজে বিরত থাকবেন এবং পরিবারকেও দূরে রাখবেন।

আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজির একটি রিপোর্ট বলছে, নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই শরীরে গ্রীষ্মের তুলনায় শীতকালে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই শীতের ডায়েটলিস্টে অবশ্যই এই ৪ ধরনের খাবারকে এড়িয়ে চলুন।

১। রেড মিট: শীত বা ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে অনেকেই রেড মিট খাওয়াকে প্রাধান্য দেন। তবে আপনি কি জানেন? লাল মাংসে কোলেস্টেরল ও স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে, যা শরীর ও হার্টের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

২। ভাজা-পোড়া খাবার: শীতে বা ঠান্ডা আবহাওয়ায় গরম গরম শিঙাড়া, পাকোড়া, ফ্রাই, চিপস, চিকেন উইংস এবং ভাজা-পোড়া খাবার খেতে ভালোই লাগে। তবে এইসব খাবার শরীরে কোলেস্টেরল বাড়াতে কাজ করে। তাই ক্যালরি এবং লবণ বেশি থাকা ভাজাপোড়া খাবার শীতে এড়িয়ে চলুন।

আরও পড়ুন: শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তির উপায়

৩। ফাস্ট ফুড বা জাঙ্ক ফুড: এসব খাবার সরাসরি স্থূলতা, হৃদ্‌রোগ এবং ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। বার্গার, পিৎজার মতো জিনিস শুধু কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় না আপনার শরীরে রক্তে শর্করার মাত্রাও নষ্ট করে।

৪। মিষ্টিজাতীয় খাবার: শীত বা ঠান্ডা আবহাওয়ায় আইসক্রিম খাওয়ার প্রবণতা কমে গেলেও চা বা কফি, কেক, পেস্ট্রি, কুকিজ, মিষ্টি, পুডিংয়ের মতো অনেক মিষ্টি খাবারের প্রবণতা বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সব খাবারে উচ্চ পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। যা আপনার শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইড এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দিয়ে আপনাকে হৃদ্‌রোগের দিকে ঠেলে দেয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *