বাজার থেকে আনা পাস্তুরাইজ দুধ ফুটিয়ে খাচ্ছেন? আয়ুর্বেদ কি বলছে দেখেনিন

প্রতিদিন সকালে দুধ খাওয়া শরীরের জন্য লাভজনক। অনেকে দুধের সঙ্গে কর্নফ্লেক্স ভিজিয়ে খান প্রাতরাশে। কেউ কেউ আবার ওটস মিশিয়ে নেন দুধে। আবার রাতে খাবারের পর দুধ খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকের। এখন আর গোয়াল থেকে দুধ কেনার সুযোগ নেই। শহরাঞ্চলে প্যাকেটজাত দুধই খান সবাই। আর সেই দুধ পাস্তুরাইজ করা থাকে। দুধ জীবাণুমুক্ত থাকে। এই জীবাণুমুক্ত করার পদ্ধতিই পাস্তুরাইজেশন। উচ্চ তাপমাত্রায় পাস্তুরাইজ করা হয় দুধ। তাই কেউ ভাবতেই পারেন, এই দুধ আর ফোটানোর দরকার নেই। বরং ঠান্ডাই খেয়ে ফেলা যাক। কেউ কেউ ভাবেন, দুধ কাঁচা খেলে বেশি লাভ। ফোটানোর দরকার নেই। সত্যিই কাঁচা দুধ কি স্বাস্থ্যকর?
পুষ্টিবিদরা বলছেন, কাঁচা দুধ জীবাণুমুক্ত করা থাকলেও তা কাঁচা খাওয়া ঠিক নয়। এতে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। পাস্তুরাইজেশন করা হলেও না ফুটিয়ে খেতে নেই দুধ। প্যাকেটজাত দুধ খেলে শরীরে নানা সমস্ দেখা দিতে পারে। তা কিনে আনার পর দুধ ফোটানো দরকার। উচ্চ তাপমাত্রায় দুধ ফোটালে সব জীবাণু মারা যায়। আর কাঁচা দুধে থাকে কোলাই, সালমোনেলার মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়ার হামলায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে। পেটের গোলমাল দেখা দিতে পারে। তাই দুধ সবসময় কাঁচা নয়, ফুটিয়ে খান।