‘প্রাক্তন’ রাজের সঙ্গে ছবি পোস্ট পায়েলের, বেলা গড়াতেই করে দিলেন ডিলিট! কিন্তু কেন?

রবিবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রী পায়েল সরকার একটি ছবি শেয়ার করেন। সেখানে তাঁকে রাজ চক্রবর্তীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করতে দেখা যায়। মোট তিনটি ছবি পোস্ট করেছিলেন তিনি—প্রথমটিতে রাজ ও তৃণার সঙ্গে, দ্বিতীয়টিতে পুরস্কার হাতে তিনি, আর তৃতীয়টি রেড কার্পেটের। কিন্তু সোমবার দুপুর গড়াতেই দেখা গেল, রাজের সঙ্গে তোলা ছবিটি তিনি মুছে ফেলেছেন।
এই বছর পায়েলকে ‘বেঙ্গল মোস্ট স্টাইলিস্ট অ্যাওয়ার্ড সিজন ২’-এর পক্ষ থেকে ‘Fashion Hotstepper Female’ সম্মানে ভূষিত করা হয়। এই পুরস্কারের বিজয়ীর নাম ঘোষণা করেন রাজ ও তৃণা। আর এর মধ্যেই দুই প্রাক্তন আবার মুখোমুখি হন। পায়েলের পোস্টের ক্যাপশনে রাজের নাম উল্লেখ না থাকায় অবাক হওয়ার কিছু নেই। তিনি শুধু পুরস্কারের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
একসময় রাজ ও পায়েলের সম্পর্ক ইন্ডাস্ট্রির সকলের কাছে প্রকাশ্য গোপনীয়তা ছিল। কিন্তু সেই সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত টেকেনি। তারপর থেকে পায়েলের কোনো প্রেমের খবর বা প্রেমিকের নাম তেমনভাবে সামনে আসেনি। তিনি নাকি ব্যক্তিগত জীবনে সিঙ্গল, এমনটাই দাবি করেন।
রাজের সঙ্গে মঞ্চে তোলা ছবিটি মুছে ফেলার সঙ্গে সঙ্গে যেন পুরনো স্মৃতি আবার জেগে উঠল। গুঞ্জন ছিল, রাজের জীবনে মিমির আগমনের আগেই পায়েল তাঁর জায়গা করে নিয়েছিলেন। এসেছিল ‘প্রেম আমার’, ‘লে ছক্কা’ থেকে ‘বোঝে না সে বোঝে না’-এর মতো ছবি।
‘বোঝে না সে বোঝে না’-এর সেটে রাজ ও মিমির ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে, আর পায়েলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে। যদিও এসব নিয়ে কেউ কখনো মুখ খোলেননি। প্রেম ভাঙার পর পায়েল কাছের মহলে নাকি বলেছিলেন, জীবন নিয়ে তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা ছিল, এই সম্পর্ক পূর্ণতা পাওয়ার জন্য ছিল না। রাজের পর ‘যমের রাজা দিল বর’ সিনেমার পরিচালক আবির সেনগুপ্তর সঙ্গেও পায়েলের ঘনিষ্ঠতার গুঞ্জন উঠেছিল, কিন্তু তাও বেশিদিন টেকেনি।
মিমির পর রাজের জীবনে প্রবেশ করেন শুভশ্রী। বর্তমানে রাজ ও শুভশ্রীর সুখের সংসার চলছে। তাঁরা ইউভান ও ইয়ালিনি নামে দুই সন্তানের মা-বাবা হয়েছেন। কিন্তু রাজের দুই প্রাক্তন—মিমি ও পায়েল—এখনও অবিবাহিত।
এর আগে ‘দাদাগিরি’-তে এসে পায়েল নিজের সিঙ্গল থাকার দায়ভার বাবা-মায়ের ঘাড়ে চাপিয়েছিলেন। তাঁর যুক্তি ছিল, ‘বাঙালি পরিবারে বাবা-মায়ের পছন্দের ছেলে খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন। যে কোনো ছেলে খুঁজে আনলেই বাবা-মা তার জন্য প্রচুর প্রশ্ন তৈরি করেন।’