লাক্সারি টাস্কের মাঝেই চরম কেলেঙ্কারি! বিগ বসের ঘরে রাজবীরকে চড়-আঁচড় নন্দিনীর, ছি ছি ছিক্কার নেটপাড়ায়

‘বিগ বস’-এর ঘরে বিতর্ক আর নাটক নতুন কিছু নয়, তবে সাম্প্রতিক পর্বে যা ঘটল, তা যেন সমস্ত সীমানা অতিক্রম করে গিয়েছে। ভ্যাম্পায়ার ও মানুষের লাক্সারি বাজেট টাস্ক শেষ হওয়ার পরেই রাজবীর ও নন্দিনীর সম্পর্ক কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে মারাত্মক হুলস্থুল। সোশাল মিডিয়ায় নন্দিনীকে এখন নির্দ্বিধায় ‘টক্সিক গার্লফ্রেন্ড’ তকমা দিচ্ছেন ক্ষুব্ধ দর্শকেরা। জাতীয় টেলিভিশনের সিসিটিভি ক্যামেরার সামনে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যেভাবে তিনি নিজের সঙ্গীর ওপর শারীরিক হামলা চালালেন, তাতে স্তম্ভিত পুরো বিনোদন জগৎ।

ঘটনার নেপথ্যে ছিল সৃজলার সঙ্গে নন্দিনীর এক তীব্র বাদানুবাদ। অভিযোগ, সৃজলার বিরুদ্ধে রাজবীর কেন পর্যাপ্ত কড়া অবস্থান নেননি এবং কেন তিনি নন্দিনীর পক্ষে হয়ে সৃজলাকে তীব্র আক্রমণ করেননি। এই সামান্য অভিযোগে চরম ক্ষুব্ধ ও হিংস্র হয়ে ওঠেন নন্দিনী। কোনো প্রকার তামাশা বা ক্ষণিকের রাগ নয়, বরং পূর্ণ আক্রোশ নিয়ে তিনি রাজবীরকে সপাটে চড়-থাপ্পড় মারতে শুরু করেন এবং একপর্যায়ে নখ দিয়ে মারাত্মকভাবে আঁচড়ে দেন। রাজবীর প্রথমে নিজেকে অত্যন্ত শান্ত রাখার চেষ্টা করলেও, নন্দিনীর লাগাতার মারধরের মুখে অবশেষে তাঁর ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়। আত্মরক্ষার খাতিরে তিনি নন্দিনীকে সজোরে এক ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেন।

এরপর চরম সংযম প্রদর্শন করে রাজবীর ঘটনাস্থল ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য পা বাড়ান। রাজবীরকে চলে যেতে দেখে নন্দিনী তখন হুমকি দেওয়ার সুরে বলে ওঠেন, “এখন যদি আমার সামনে থেকে চলে যাও, তবে আমাদের মাঝের সব সম্পর্ক কিন্তু এখানেই শেষ হয়ে যাবে!” কিন্তু এত অপমান ও নিগ্রহ সহ্য করার পর রাজবীর থমকে না দাঁড়িয়ে অত্যন্ত ধীর অথচ দৃঢ় কণ্ঠে পালটা জবাব দেন, “আমাদের মধ্যে যা ছিল, তা এমনিতেও সবকিছু শেষ হয়ে গিয়েছে।”

বিগ বসের ঘরের স্পষ্ট নিয়ম—কোনো প্রতিযোগী কারও গায়ে হাত তুলতে বা শারীরিক নির্যাতন চালাতে পারবেন না। সেখানে কীভাবে নন্দিনী এমন বেপরোয়াভাবে সহিংস আচরণ করতে পারেন, তা নিয়ে সরব হয়েছেন নেটিজেনরা। অধিকাংশ দর্শকের প্রশ্ন, যদি রাজবীর এমন কাজ নন্দিনীর সাথে করতেন, তবে কি তাঁকে এতক্ষণে শো থেকে বের করে সোজা শ্রীঘরে পাঠানো হতো না? নন্দিনীর এই ধরনের সহিংস ও বিষাক্ত আচরণের বিরুদ্ধে এখন বিগ বস কর্তৃপক্ষের কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপের অপেক্ষায় দর্শকরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *