১৮ জনের মৃত্যুর ভয়াবহ স্মৃতি কাটতে না কাটতেই ফের কাঁপল তিব্বত! গভীর রাতে জোড়া ভূকম্পনে হাহাকার

ভয়াবহ বিপর্যয়ের ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই ফের কম্পন তিব্বতে! ভয়াবহ ভূমিকম্প ও একাধিক প্রাণহানির পর আবারও জোড়া ভূকম্পনে কেঁপে উঠল তিব্বতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। শুধু তিব্বত নয়, এই ভূকম্পনের তীব্র প্রভাব অনুভূত হয়েছে প্রতিবেশী দেশ চীন এবং আফগানিস্তানেও। গভীর রাতে হঠাৎ মাটি কেঁপে ওঠায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাসিন্দাদের মধ্যে।
ন্যাশনাল সেন্টার অফ সিসমোলজি (NCS)-র তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় সময় বুধবার রাত ৩টে ১৬ মিনিট নাগাদ প্রথম কম্পনটি অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৩। মাটির মাত্র ১৫ কিলোমিটার গভীরে ছিল এই ভূকম্পনের উৎসস্থল। এর কিছু সময়ের ব্যবধানে, বুধবার রাত ৮টা ১৬ মিনিট নাগাদ দ্বিতীয়বার কেঁপে ওঠে তিব্বত।
১৮ জনের মৃত্যুর পর ফের আতঙ্কের ছায়া
উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই এক প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল তিব্বত। গত বৃহস্পতিবার রাতে রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভয়াবহ কম্পনের পর একের পর এক শক্তিশালী আফটার শকে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় বিশাল এলাকা। সেই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল এবং বহু মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছিলেন।
সেই ভয়াবহ স্মৃতি এখনও সাধারণ মানুষের মনে টাটকা। তার মধ্যেই এই জোড়া ভূমিকম্প ও আফটার শক জনমনে নতুন করে ত্রাসের সৃষ্টি করেছে। পর পর এমন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় প্রশাসন
পরপর জোড়া কম্পনে চীন ও আফগানিস্তানের কিছু অঞ্চলেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তবে স্বস্তির বিষয়, বুধবার রাতের এই জোড়া ভূমিকম্পে নতুন করে কোনো প্রাণহানি বা বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির খবর এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং নজরদারি চালাতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে স্থানীয় উদ্ধারকারী দল ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ।