সাইবার চক্রের ভয়ঙ্কর ফাঁদ! ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার এই নয়া মডিউল দেখে চমকে উঠবেন

সাইবার প্রতারণা বলতেই এতদিন মানুষের মনে ভেসে উঠত ভিনদেশি বা ভুয়া ফোন কল, ওটিপি (OTP) জালিয়াতি কিংবা মোবাইল হ্যাকিংয়ের মতো ঘটনা। তবে এবার বিহারের পাটনা থেকে উদ্ঘাটিত একটি বিশাল আন্তঃরাজ্য সাইবার চক্রের নেটওয়ার্ক এই সমস্ত চেনা ধারণাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে যে, এই চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করত। ठगी की रकम निकालने से लेकर बैंक खाते जुटाने, सुरक्षित ठिकाने की व्यवस्था करने और दूसरे राज्यों से युवाओं को काम पर बुलाने के लिए अलग-अलग लोगों की फौज तैनात की जाती थी। पटना के अगमकुआं इलाके में सक्रिय इस गिरोह के मास्टरमाइंड राहुल कुमार की गिरफ्तारी के बाद साइबर ठगी के कई सनसनीखेজ ও অজানা তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।

পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে যে, এই চক্রটি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাইবার প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া কালো টাকা এটিএম বুথ এবং চেকের মাধ্যমে ক্যাশ করিয়ে তুলত। এরপর পূর্বনির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী সেই টাকার সঠিক বন্টন হতো। মূল অভিযুক্ত রাহুল কুমার পুরো উত্তোলিত অর্থের ২০ শতাংশ নিজের কমিশন হিসেবে রেখে বাকি টাকা ঝাড়খণ্ডের জামতাড়ার কুখ্যাত হ্যান্ডলার জুবার ও আলতাফুলের কাছে পৌঁছে দিত। পাশাপাশি, কन्हैया कुमार को खाते जुटाने और निकासी के बदले ৫ प्रतिशत, जहानाबाद के राजू कुमार को ३ प्रतिशत और दिल्ली के कुलदीप सिंह को फ्लैट व सुरक्षित ठिकाने की व्यवस्था करने के एवज में २.৫ प्रतिशत हिस्सा मिलने की बात सामने आई है।

এই চক্রের কার্যপ্রণালীর সবচেয়ে বড় দিক হলো, এখানে বহু সদস্য কমিশন ছাড়াও নির্দিষ্ট মাসিক বেতনে কাজ করতেন। লখনউয়ের শিশুपाल सिंह, কলকাতার राहुल हेला ও शादीक आलम, শেখপুরের धनराज कुमार এবং পাটনার विष्णु कुमार-এর মতো যুবকদের প্রতি মাসে ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন দেওয়া হতো। তাদের মূল কাজ ছিল এটিএম থেকে টাকা তোলা, বিভিন্ন ব্যাংক থেকে পাসবুক ও চেকবুক সংগ্রহ করা এবং সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলে পাটনায় নিয়ে আসা। সাধারণ মানুষকে সামান্য ১,০০০ থেকে ১,৫০০ টাকার লোভ দেখিয়ে তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং সংশ্লিষ্ট কিট (ডেবিট কার্ড, চেকবুক, সিম কার্ড) হাতিয়ে নেওয়া হতো। আধার কার্ডে ঠিকানা পরিবর্তন করার জন্য প্রতি ব্যক্তির বিপরীতে ১,৫০০ টাকা এবং মোবাইল নম্বর আপডেট করার জন্য ৩০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করা হতো বলে জানা গিয়েছে। বর্তমানে এই চক্রের শিকড় কতদূর বিস্তৃত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *