নিষেধাজ্ঞা এড়াতে নতুন কৌশল! দিল্লি জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল বিক্ষোভ, ‘দ্বিতীয় যন্তর মন্তর’ গড়ার ডাক দিয়ে চরম উত্তেজনা

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়ে আয়োজিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র পূর্বনির্ধারিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শনিবার দিনভর উত্তপ্ত হয়ে উঠল জাতীয় রাজধানী দিল্লি। বিক্ষোভকারীরা যাতে নির্দিষ্ট স্থান যন্তরমন্টরে জমায়েত হতে না পারেন, তার জন্য সকাল থেকেই পুরো এলাকাটি বিশাল পুলিশ বাহিনী, আধা-সামরিক সেনা এবং ধাতব ব্যারিকেডে মুড়ে ফেলা হয়েছিল। মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং কঠোর কড়াকড়ির জেরে যন্তরমন্তর কার্যত দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত হওয়ায় বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে শহরের বিভিন্ন কোণায় নতুন করে অবস্থান ও স্লোগান দিতে শুরু করেন।
নির্ধারিত স্থানে পৌঁছাতে না পেরে আন্দোলনকারীরা কনট প্লেস, বাংলা সাহিব গুরুদ্বার, দিল্লি হাট ও মিম্টো ব্রিজ সহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। সামাজিক মাধ্যমের সাহায্যে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে নতুন বিকল্প স্থান বা ‘দ্বিতীয় যন্তর মন্তর’ গড়ার চেষ্টা চালান তাঁরা। তবে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তৎপর দিল্লি পুলিশও জায়গায় জায়গায় ধাওয়া করে বিকেল পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার বিক্ষোভকারীকে প্রিভেনটিভ ডিটেনশনে আটক করে। এই কঠোর পদক্ষেপের পরেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণায় রাজধানীজুড়ে চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা বজায় রয়েছে।