রাজধানীতে চরম উত্তেজনা! অজিঙ্কা শিন্ডের নেতৃত্বে প্রতিবাদে নামতেই ব্যাপক ধস্তাধস্তি ও পুলিশের প্রিজন ভ্যানে আটক বিক্ষোভকারীরা

জাতীয় রাজধানীতে রাজনৈতিক সংঘাত এবং প্রতিবাদের ঝড় ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের এক দফা দাবিকে সামনে রেখে এবার রাজধানী দিল্লিতে এক নজিরবিহীন ও তীব্র আন্দোলনের সূচনা হলো। ‘ককপিল জনতা পার্টি’ (CJP)-র ব্যানারে আয়োজিত এই বিক্ষোভ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা অজিন্ধ্যা শিন্ডে। দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবং বর্তমান কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এই আন্দোলন সংগঠিত করা হয়।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জড়ো হওয়া দলীয় কর্মী-সমর্থকরা কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেন। আন্দোলনকারীরা মিছিল করে নির্দিষ্ট সচিবালয় বা লক্ষ্যস্থলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার অজুহাতে ময়দানে নামে দিল্লি পুলিশ। আন্দোলন তীব্র রূপ ধারণ করলে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকে দেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে স্লোগান জারি রাখলে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

উত্তেজনাপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে আয়োজক সংস্থার প্রধান অজিন্ধ্যা শিন্ডেসহ একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের জোরপূর্বক আটক করে পুলিশ ভ্যানে তোলে। এই গণ-গ্রেফতারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বিরোধীরা পুলিশের এই কঠোর পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে দাবি করেছেন যে, গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ জানানোর মৌলিক অধিকারটুকুও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। সব মিলিয়ে, দেশজুড়ে এই নির্বাচন কমিশন বিরোধী রাজনৈতিক কর্মসূচির জেরে জাতীয় রাজনীতির পারদ এখন চড়চড়িয়ে উর্ধ্বমুখী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *