লাবড়ায় এক চিমটে এই বিশেষ জিনিসটি দিলেই স্বাদ হবে তিন গুণ! মা-ঠাকুমার গোপন রেসিপি জানুন

শরতের আকাশ আর শিউলি ফুলের গন্ধে চারদিক মুখরিত হওয়ার অর্থই হলো মা দুর্গার মর্ত্যে আগমন। আর দুর্গাপুজোর এই কটা দিন মানেই সকালের অঞ্জলি আর দুপুরের জমজমাট বাঙালি ভুরিভোজ। পুজোর মহাঅষ্টমী হোক কিংবা নবমী, গরম গরম খিচুড়ি কিংবা ফুলকো লুচির সঙ্গে ধোঁয়া ওঠা সুস্বাদু ‘লাবড়া’ না হলে বাঙালির পুজো যেন ঠিক জমে না। তবে সাধারণ সবজি সেদ্ধ করে ফোঁড়ন দিলেই তো আর সেই পুজোর প্যান্ডেলের বা বাড়ির রান্নাঘরের সেই রাজকীয় স্বাদ পাওয়া যায় না! এর জন্য প্রয়োজন পুরনো দিনের নিখুঁত মাপ আর মা-ঠাকুমাদের হাতের কিছু গোপন ট্রিকস।

কুমড়ো, রাঙা আলু, পটল, পেঁপে, বেগুন, বরবটি থেকে শুরু করে ফুলকপি—ঘরের নানা রকমের সবজি দিয়ে এই সুস্বাদু পদটি তৈরি হয়। তবে রান্নার আসল রহস্য লুকিয়ে থাকে সবজি কাটা এবং সঠিক ফোঁড়নের মধ্যে। কড়াইতে সর্ষের তেল গরম করে পাঁচফোড়ন, তেজপাতা আর শুকনো লঙ্কার সুবাস ছড়ানোর পর একে একে সবজিগুলো দিয়ে ভাজতে হয়। হলুদ, জিরে গুঁড়ো আর আদা বাটার জাদুতে সবজির গায়ের জল শুকিয়ে যখন তেল ছাড়তে শুরু করে, তখনই রান্নার আসল সুগন্ধ ছড়াতে থাকে।

তবে আসল চমকটি আসে রান্না নামানোর ঠিক আগের মুহূর্তে। মা-ঠাকুমারা লাবড়ার স্বাদকে এক লহমায় কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে তরকারির শেষ পর্যায়ে এক চিমটে বিশেষ ভাজা মশলার গুঁড়ো (জিরে, ধনে, শুকনো লঙ্কা ও মৌরি শুকনো খোলায় ভেজে তৈরি) এবং সামান্য ঘি মিশিয়ে দিতেন। এই গোপন মশলার ছোঁয়াতেই নিরামিষ লাবড়া হয়ে ওঠে অমৃতসমান। এবারের পুজোয় ঘরেই এই প্রাচীন ও সুস্বাদু রেসিপিটি ট্রাই করে ফেলুন, আর পরিবারের সকলকে উপহার দিন সেই ছোটবেলার পুজোর বাড়ির নস্টালজিক স্বাদ!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *