স্পিকারের ডেডলাইন শেষ হতেই বড় চাঞ্চল্য! সুদীপের বাড়িতে জরুরি বৈঠকে কাকলি-শতাব্দীরা, পরবর্তী পদক্ষেপ কী?

লোকসভার অধ্যক্ষের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার দিনেও প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকল বিদ্রোহী শিবির। তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপিআই (NCPI)-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের পদ খারিজের অভিযোগে উত্তাল জাতীয় রাজনীতি। স্পিকারের দেওয়া নির্ধারিত ডেডলাইনের মধ্যেই জবাব জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, শেষ মুহূর্তে ফের অতিরিক্ত সময় চেয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে ইমেল ও চিঠি পাঠিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বাধীন দলবদলু সাংসদেরা।
ঠিক কী কারণে এই তৎপরতা?
রাজ্য রাজনীতিতে বড়সড় ভাঙন ধরিয়ে তৃণমূলের প্রতীক নিয়ে জিতে বের হয়ে আসা এই ২০ জন সাংসদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে স্পিকারের কাছে আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সংবিধানের দশম তফসিল বা দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের দাবি জানানো হয়।
স্পিকারের পক্ষ থেকে দফায় দফায় সময় দিয়ে সর্বশেষ ৮ অক্টোবরের মধ্যে জবাব তলব করা হয়েছিল। কিন্তু আইনি জটিলতা ও নিজেদের কৌশল সাজাতে আরও অন্তত দু’সপ্তাহ সময় চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে স্পিকারের দফতরে। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও আইনি লড়াই চলছে।
┌─────────────────────────────────────────┐
│ NCPI সাংসদদের ভবিষ্যৎ টানাপোড়েন │
└────────────────────┬────────────────────┘
│
┌──────────────────────────┴──────────────────────────┐
▼ ▼
┌───────────────────────────┐ ┌───────────────────────────┐
│ স্পিকারের কড়া নির্দেশ │ │ বিদ্রোহী সাংসদদের কৌশল │
├───────────────────────────┤ ├───────────────────────────┤
│ • ৮ অক্টোবর জবাবের ডেডলাইন │ │ • ফের অতিরিক্ত সময় ভিক্ষা │
│ • পদ খারিজের দাবি জোরালো │ │ • কলকাতায় জরুরি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক│
└───────────────────────────┘ └───────────────────────────┘
সুদীপের বাড়িতে মেগাবৈঠক
আইনি নোটিসের জবাব দেওয়ার শেষ দিনে মধ্য কলকাতায় সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে এক জরুরি বৈঠকে বসেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়-সহ এনসিপিআই-এর অন্য সাংসদেরা। যদিও একে নিছক ‘গেট-টুগেদার’ ও দুপুরের মধ্যাহ্নভোজ বলা হচ্ছে, তবুও রাজনৈতিক মহলের মতে—স্পিকারের কড়া নোটিস এবং সুপ্রিম কোর্টের নজরদারির মাঝে আগামী দিনে তাঁদের রাজনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ ঠিক করতেই এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
স্পিকার এই অতিরিক্ত সময়সীমার আর্জি মঞ্জুর করেন নাকি কঠোর পদক্ষেপ নেন, এখন সেটাই দেখার বিষয়!