মৃত ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকায় কেন? নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করায় কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ স্মৃতি ইরানির

নির্বাচনী ফলাফল এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে বর্তমানে জাতীয় রাজনীতিতে পারদ চড়ছে। লাগাতার পরাজয়ে হতাশ হয়েই কংগ্রেস দল এখন স্রেফ রাজনৈতিক স্বার্থে নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করছে বলে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা প্রাক্তন সাংসদ স্মৃতি ইরানি। দিল্লির দলীয় সদর দপ্তরে এক সাংবাদিক বৈঠকে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করার চেষ্টার অভিযোগ তোলেন তিনি।

ঠিক কী বলেছেন স্মৃতি ইরানি?

সাংবাদিক বৈঠকে স্মৃতির সরাসরি প্রশ্ন, কংগ্রেস নেতৃত্ব কি হিমাচল প্রদেশ, পাঞ্জাব, কেরালা কিংবা কর্ণাটকের মতো অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে নির্বাচন কমিশনকে ক্লিন চিট দিয়ে দিচ্ছে, নাকি সেখানেও তাঁরা কমিশনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন?

ভোটার তালিকায় অনিয়ম সংক্রান্ত বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে বিজেপি নেত্রী বলেন, “আজ কংগ্রেস নেতৃত্ব ১৩ কোটি ৩০ লক্ষ (১৩৩ মিলিয়ন) নামের কথা তুলে শোরগোল ফেলছে, যে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন নিজেই গত ২৬ তারিখে একটি স্পষ্ট বিবৃতি জারি করেছিল।” এর পরই কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় তুলে তাঁর সংযোজন, “ভোটার তালিকায় যদি কোনো নাম দুবার থেকে থাকে, কিংবা কোনো মৃত ব্যক্তির নাম যদি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকে— তবে কংগ্রেস দল ঠিক কী কারণে সেই মৃত ব্যক্তিদের নাম বা একই নাম বারবার ভোটার তালিকায় জুড়ে রাখতে চাইছে? তারা কি তবে ভুয়া বা মৃত ভোটারদের ওপর ভরসা করেই রাজনীতি করতে চায়?”

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের ওপর আক্রমণ বন্ধ হোক: স্মৃতি

কংগ্রেসের অতীত ইতিহাস ও রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলে স্মৃতি ইরানি আরও বলেন, ২০১৯ সালেই কংগ্রেসের তৎকালীন সভাপতি নরেন্দ্র মোদীর ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য সমস্ত সীমা পার করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সবসময়ই সমালোচকদের জবাব দিতে প্রস্তুত, কিন্তু রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে কংগ্রেস যেভাবে দেশের সাংবিধানিক কাঠামোগুলি এবং ভারতীয় গণতন্ত্রের ওপর ধারাবাহিক আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে বিতর্কিত করার এই প্রবণতা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত বলেই মন্তব্য করেন তিনি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *