‘জানিই না ও বিবাহিত!’ গোবিন্দার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে যুগ কেটে যাওয়ার পর অবশেষে মুখ খুললেন নীলম কোঠারি

নব্বইয়ের দশকের গোড়ায় বলিউডে অভিনেতা গোবিন্দা এবং নীলম কোঠারির অনস্ক্রিন জুটির পাশাপাশি তাঁদের বাস্তব জীবনের প্রেমের গুঞ্জন ছিল খবরের কাগজের হটকেক। দীর্ঘকাল পর সেই পুরোনো গুঞ্জন ও সম্পর্ক নিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন স্বয়ং অভিনেত্রী নীলম কোঠারি। এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, সেই সময়ে তাঁর যেমন বয়স কম ছিল, তেমনই গোবিন্দা যে বিবাহিত—এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি সম্পর্কে তাঁর বিন্দুমাত্র ধারণাই ছিল না!

‘তখন আমি ভীষণ ছোট ছিলাম’
সাক্ষাৎকারে অতীতে ফিরে গিয়ে নীলম জানান, “আমি তখন খুবই ছোট ছিলাম। তিনি যে বিবাহিত, তা আমি জানতাম না। এ বিষয়ে আমি অনেক পরে জানতে পেরেছিলাম।” অভিনেত্রী আরও জানান, তাঁর বাবা-মা ভীষণ কড়া অনুশাসনে রাখতেন। ফলে সেই বয়সে কারোর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার কোনো প্রশ্নই উঠত না। বয়স অল্প হওয়ার কারণে সেই সময় তাঁর শুটিংয়েও সব সময় পরিবারের কোনো না কোনো সদস্য উপস্থিত থাকতেন।

এই প্রসঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন নীলমের বর্তমান স্বামী তথা অভিনেতা সমীর সোনিও। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে, প্রায় কুড়ি বছর আগের এই পুরোনো গুঞ্জন বা অতীত নিয়ে তাঁর মনে বিন্দুমাত্র রাখঢাক বা কোনো ক্ষোভ নেই।

গোবিন্দার স্বীকারোক্তি ও সুনীতার নিরাপত্তাহীনতা
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে গোবিন্দাও এই সম্পর্ক নিয়ে নিজের ভুল স্বীকার করেছিলেন। অভিনেতা জানিয়েছিলেন, মন্দিরে সুনীতার সঙ্গে তাঁর আগেই বিয়ে হয়েছিল এবং তাঁরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবেই ছিলেন। কিন্তু গোবিন্দার মা চেয়েছিলেন তাঁরা যেন আনুষ্ঠানিকভাবে ফের বিয়ে করেন। গোবিন্দা সেই কথা প্রকাশ্যে আনেননি। এক বছর পর এই সত্যি জানতে পারেন নীলম। অনুশোচনার সুরে গোবিন্দা বলেছিলেন, “আমি নীলমকে ঠকিয়েছি। বিয়ের কথা লুকিয়ে ওর সঙ্গে একরকম নোংরা খেলায় মেতেছিলাম। আমার আগেই ওকে সবটা বলা উচিত ছিল।”

গোবিন্দার কথায়, তাঁর ও স্ত্রী সুনীতার সম্পর্কের মধ্যে তখন মারাত্মক টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল। সুনীতাও নীলমকে নিয়ে প্রবল নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেন। একদিন সুনীতা নিজেই নীলমকে সমস্ত সত্যিটা জানিয়ে দেন এবং এর পরেই গোবিন্দার সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক চিরতরে ছিন্ন করে সরে দাঁড়ান নীলম কোঠারি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *