আমেরিকা ও ট্রাম্পের এক মন্তব্যে কেঁপে উঠল লন্ডন! ডোনাল্ড ইফ্রয়েনের ঝড়ে অস্তিত্ব সংকটে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য?

বিশ্ব মানচিত্র থেকে কি তবে মুছে যেতে চলেছে গ্রেট ব্রিটেন বা ‘ইউনাইটেড কিংডম’ (UK)-এর বর্তমান সীমানা? বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই প্রশ্নটাই এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্কॉटল্যান্ড, ওয়েলস এবং নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের রাজনৈতিক নেতৃত্ব যেভাবে একে অপরের হাত ধরে স্বাধীনতার পক্ষে জনমত তৈরি এবং নিজেদের সাংবিধানিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের জন্য কোমর বেঁধে নেমেছে, তাতে লন্ডনের মসনদে গভীর দুশ্চিন্তার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে।

এই চাঞ্চল্যকর আন্তর্জাতিক খবরের ৫টি প্রধান দিক একনজরে দেখে নিন:

  • কার্ডিফে ঐতিহাসিক গোপন বৈঠক: ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফে তিন দেশের শীর্ষ নেতারা এক অভূতপূর্ব বৈঠকে মিলিত হতে চলেছেন। বৈঠকে একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করার কথা রয়েছে, যার মূল লক্ষ্য হবে নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য স্বাধীনতা বা গণভোটের অধিকার আদায় করা।

  • ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য: এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়ারল্যান্ড সফরকালে একটি ঐক্যবদ্ধ আয়ারল্যান্ডের পক্ষে সওয়াল করেন। নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে মিশে গেলে কী সমস্যা—ট্রাম্পের এমন প্রশ্ন ব্রিটিশ সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ দ্বিগুণ করে দিয়েছে।

  • বर्नहैम-এর বিরুদ্ধে বড় হুঁশিয়ারি: স্কॉटল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার এবং এসএনপি (SNP) নেতা জন সুইনি দাবি করেছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বर्नहैमকে হয়তো শেষ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাতে হতে পারে।

  • স্বাধীনতাকামী দলগুলোর দাপট: সাম্প্রতিক নির্বাচনে স্কॉटল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের স্থানীয় সংসদে এমন সব দল ক্ষমতায় বা শক্ত অবস্থানে চলে এসেছে, যারা সরাসরি ব্রিটেন থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা বা ব্যাপক স্বায়ত্তশাসনের দাবি তুলেছে।

  • নতুন রাজনৈতিক মোর্চা: কার্ডিফের এই সম্মেলনে কেবল তিন দেশের প্রথম মন্ত্রীরাই নন, বরং আয়ারল্যান্ডের বিরোধী দলীয় নেত্রীও যোগ দিচ্ছেন। যা ভবিষ্যতে যুক্তরাজ্যের অখণ্ডতার সামনে এক বিশাল বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে চলেছে।

বিশ্ব রাজনীতির এই জটিল সমীকরণে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অখণ্ডতা শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাবে, নাকি নতুন কয়েকটি দেশের জন্ম হবে—সেটাই এখন দেখার বিষয়!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *