পুজোয় রাজনৈতিক নেতাদের ডাকলেই সর্বনাশ! দিলীপ ঘোষের এই বিস্ফোরক মন্তব্যে কুপোকাত হেভিওয়েটরা?

রাজ্যে মাদ্রাসা যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে এক ঐতিহাসিক ও কড়া পদক্ষেপ করল সরকার। সরকারি নির্দেশিকা অমান্য করে চলা এবং বিভিন্ন অভিযোগে মোট ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নোটিস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, আরও ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ (Show-cause) করা হয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতিতে মুখ খুলেছেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সরকারের অনুমতি নিয়ে যে সমস্ত মাদ্রাসা নিয়ম মেনে চলছে, সেগুলিতে কোনো বাধা নেই। তবে যত্রতত্র মাদ্রাসা খুলে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ চালানোর দিন শেষ।
দিলীপ ঘোষের বিস্ফোরক মন্তব্য ও অন্যান্য ইস্যু:
সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের একাধিক বিতর্কিত ও রাজনৈতিক ইস্যুতে একহাত নেন দিলীপ ঘোষ:
-
মাদ্রাসায় দেশবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ: দিলীপ ঘোষ বলেন, “মাদ্রাসা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। এর আগে অনেক উগ্রপন্থী ধরা পড়েছে যারা মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন এবং সেখান থেকে অ্যান্টি-ন্যাশনাল অ্যাক্টিভিটি চালাত। যেখানে-সেখানে মাদ্রাসা খুলে উৎপাত করার অনুমতি সরকার দেবে না।”
-
পুজোয় রাজনৈতিক নেতাদের দাদাগিরি বন্ধ হোক: শমীক ভট্টাচার্যের সুরেই সুর মিলিয়ে দিলীপ বলেন, পুজো মণ্ডপগুলিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের না ডেকে পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ প্রাপ্ত গুণীজন, সাধু-সন্তু এবং সমাজসেবকদের ডাকা উচিত। আর্থিক সুবিধার টানে আয়োজকরা নেতাদের সামনে আনেন, যা ঠিক নয়। সাধারণ মানুষ ও পুজো উদ্যোক্তারাই আসল হর্তাকর্তা হওয়া উচিত।
-
তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও অর্থ লেনদেন নিয়ে তোপ: তৃণমূলের প্রতীক নিয়ে টানাটানি এবং মদন মিত্রের করা ‘বিদেশ থেকে কোটি কোটি টাকা ঢোকার’ মন্তব্য প্রসঙ্গে দিলীপ কটাক্ষ করে বলেন, এসব এখন তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ ড্রামা চলছে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে যা খুশি বললেই সরকার বা কেউ তা মেনে নেবে না, পারলে লিখিত প্রমাণ দিন।
রাজ্যের এই প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক নেতাদের বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে এখন তীব্র রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে রাজ্যজুড়ে।