“ক্যামেরা-ট্যামেরা কিচ্ছু মানব না!” জুনিয়র প্রতিযোগীর ওপর মেজাজ হারিয়ে যেভাবে ফেটে পড়লেন ভরত কল, দেখলে চমকে যাবেন!

রিয়েলিটি শো মানেই বিনোদন, নাটক আর আবেগের অনিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ। তবে সম্প্রতি খাস ‘বিগ বস বাংলা’-র অন্দরে যা ঘটে গেল, তা সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। প্রবীণ অভিনেতা ভরত কল এবং তরুণ প্রতিযোগী রাজবীরের তীব্র বাকযুদ্ধ ও মারমুখী মেজাজ ঘিরে এখন উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। অভিজ্ঞ এক অভিনেতার এমন বিস্ফোরক ও ক্ষিপ্ত রূপ দেখে চোখ কপালে উঠেছে খোদ দর্শকদের।

ঘটনার সূত্রপাত রাজবীরের একটি চাঁচাছোলা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। সিনিয়র অভিনেতার আচরণ ও ভাষার ব্যবহার নিয়ে সরাসরি কটাক্ষ করে রাজবীর বলে ওঠেন, “এত বড় সিনিয়র মানুষ, অথচ মুখে লাগাম নেই! কাঁচা-কাঁচা খিস্তি দিচ্ছে! লজ্জা পাওয়া উচিত।” অনক্যামেরা এমন মারাত্মক অভিযোগ ও অপমানে মুহূর্তের মধ্যে রাগ সংবরণ করতে পারেননি ভরত কল। মেজাজ হারিয়ে চিৎকার করে তিনি পাল্টা হুঙ্কার দেন, “লাগামের কী দেখেছিস তুই? সামান্য বিন্দুটুকুও দেখিসনি! যেদিন আমি আমার ঔকাতে চলে আসব, কিচ্ছু মানব না— এই ক্যামেরা-ট্যামেরা কিচ্ছু মানব না!”

ভরতকে এভাবে চটতে দেখেও পিছু হঠেননি রাজবীর। বরং বাঁকা হেসে পরিস্থিতি আরও গরম করে তোলেন তিনি। পালটা তোপ দেগে ভরত কল নিজের অভিজ্ঞতা ও পরিচিতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে গর্জে ওঠেন, “হ্যাঁ রে তাই! মাথায় রাখবি। বাড়িতে গিয়ে কাকুদের ফোন করে জিজ্ঞেস করবি— জানবি ভরত কল কী জিনিস!” রাজবীর তখন খোঁচা দিয়ে বলেন, “আমি তো এটাই চাই! তুমি নিজের আসল রূপটা দেখাও। এতদিন ধরে দর্শকদের উল্লু বানিয়েছ!” এতে আরও চতে গিয়ে ভরত চিৎকার করে ওঠেন, “ওরে শোন, মানুষ চেনে আমাকে! ১০ কোটি বাঙালি এপারে, ১৬ কোটি বাঙালি ওপারের— সবাই জানে আমাকে। আর তোর তো কোনও অস্তিত্বই নেই!”

পরিস্থিতি হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছানোর উপক্রম হলে সেটের অন্য প্রতিযোগীরা দ্রুত ছুটে এসে ভরত কলকে শান্ত করেন এবং সরিয়ে নিয়ে যান। তবে ভরতের পিছু হঠার দৃশ্য দেখেও চুপ থাকেননি রাজবীর। উল্টে চিৎকার করে বলতে থাকেন, “আসল ভরতটাকে সবাই জানুক! এটাই তো শো-এর ফর্ম্যাট!” দুই প্রতিযোগীর এই কাদা ছোড়াছুড়ি এখন বিগ বস বাংলার ঘরে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। শোয়ের টিআরপি বাড়াতে এটি নিছকই নাটক নাকি বহু বছরের কেরিয়ার থাকা প্রবীণ অভিনেতার রিয়েল লাইফ মেজাজ— তা নিয়ে এখন নেটপাড়ায় শুরু হয়েছে তীব্র ঝড়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *