ধোনিকে দেখলেই ভয়ে পেতেন এই তারকা! ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কোন চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করলেন জাপানি ক্যাপ্টেন?

আগামী ২২ সেপ্টেম্বর জাপানি ক্রিকেটের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হতে চলেছে। কারণ ওই দিনই বিশ্বের এক নম্বর টি-টোয়েন্টি দল ভারতের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছে। সানো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের জন্য ইতিমধ্যেই শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করেছে জাপান। আর এই গোটা ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জাপানি দলের অধিনায়ক কেন্ডাল কাডোওয়াকি-ফ্লেমিংয়ের একটি পুরনো স্বীকারোক্তি, যা বর্তমানে নেটদুনিয়ায় শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

কে এই কেন্ডাল কাডোওয়াকি-ফ্লেমিং?

জাপানে জন্ম হলেও মাত্র সাত বছর বয়সে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যান ফ্লেমিং। সেখানে কুইন্সল্যান্ডের হয়ে অনূর্ধ্ব-১৭ পর্যায়ে ক্রিকেট খেলার পর ১৮ বছর বয়সে জাপান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। বর্তমানে তিনি জাপানের সর্বকালের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ৫৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৩৮ গড়ে ১,৮৭১ রান রয়েছে তাঁর ঝুলিতে, যার মধ্যে রয়েছে ২টি সেঞ্চুরি ও ১২টি হাফ সেঞ্চুরি। পেশাদার ক্রিকেটের পাশাপাশি তিনি একটি বড় কোম্পানিতে সিনিয়র ফিনান্সিয়াল অ্যানালিস্ট হিসেবে কর্মরত এবং তাঁর নিজস্ব একটি প্লেয়ার ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিও রয়েছে।

ধোনিকে নিয়ে যা বলেছিলেন জাপানি অধিনায়ক

অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলকে দেখে বড় হওয়া ফ্লেমিং অতীতে এক সাক্ষাৎকারে অকপটে স্বীকার করেছিলেন যে, ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার মহেন্দ্র সিং ধোনিকে মাঠে দেখলেই তিনি ঘাবড়ে যেতেন। ধোনি যখনই ক্রিজে ব্যাট করতে নামতেন, তখন তিনি মারাত্মক অস্বস্তিতে ভুগতেন, কারণ মাহি ক্রিজে থাকা মানেই অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচ জয়ের আশা প্রায় শেষ হয়ে যাওয়া। আর আজ সেই ধোনির উত্তরসূরি তথা টিম ইন্ডিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধেই মাঠে নামতে চলেছেন খোদ ফ্লেমিং। বাইশ গজে তাঁর নেতৃত্ব এবং ব্যাট থেকে কেমন পারফরম্যান্স দেখা যায়, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় ক্রিকেট বিশ্ব।

জাপানের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড:

কেন্ডাল কাদোওয়াকি-ফ্লেমিং (অধিনায়ক), চার্লি হারা-হিঞ্জ, বেঞ্জামিন ইটো-ডেভিস, অ্যালেস্টার কাদোওয়াকি-ফ্লেমিং, কোহেই কুবোটা, জ্যাক কুসুদা-নায়ারন, ওয়াতারু মিয়াউচি (উইকেটরক্ষক), রিও সাকুরানো-থমাস, অ্যালেক্স শিরাই-প্যাটমোর, সোয়েইনা-প্যাটমোর (উইকেটরক্ষক), ডেক্লান সুজুকি-ম্যাককম্ব, সুয়োশি তাকাদা, ইব্রাহিম তাকাহাশি, মাকোতো তানিয়ামা এবং লচলান ইয়ামামোতো-লেক।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *