মন্দির ছিল নাকি মসজিদ? সাহারানপুরে কलेक्ट्रেট চত্বরে প্রাচীন কুঁয়ো মেলায় চাঞ্চল্য তুঙ্গে

উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর (Saharanpur) কलेक्ट्रেল চত্বরে অবস্থিত একটি মসজিদ অপসারণের পর উদ্ধার হলো এক রহস্যময় প্রাচীন কুঁয়ো। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। কুঁয়োটির গভীরতা প্রায় ২০ থেকে ২৫ ফুট বলে জানা গেছে।
কীভাবে মিলল এই কুঁয়ো?
সম্প্রতি ওই কलेक्ट्रেট মসজিদ সংক্রান্ত একটি আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের পর চত্বর পরিষ্কার করার কাজ চলছিল। রবিবার যখন ভারী জেনারেটর ও পোকল্যান্ড মেশিন দিয়ে মালের স্তূপ সরানো হচ্ছিল, তখন একটি অত্যন্ত ভারী কংক্রিটের স্ল্যাব নজরে আসে। প্রথমে মেশিন দিয়ে সেটি না সরানো গেলেও পরে কটার দিয়ে কেটে স্লাবটি সরিয়ে ফেলতেই নিচে এই গভীর কুঁয়োটি দেখতে পান কর্মীরা।
হিন্দু বনাম মুসলিম পক্ষের বিতর্ক
এই কুঁয়ো আবিষ্কারের পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে শুরু হয়েছে পাল্টাপাল্টি দাবি:
-
হিন্দু পক্ষের দাবি: মামলার অন্যতম অভিযোগকারী এবং বজরং দলের প্রাক্তন নেতা বিকাশ ত্যাগীর দাবি, তাঁদের বহুদিনের আশঙ্কা ছিল যে এই এলাকায় অতীতে কোনো প্রাচীন হিন্দু মন্দির বা ধর্মীয় স্থান ছিল। কুঁয়ো আবিষ্কার সেই ধারণাকে আরও জোরালো করেছে। প্রাচীন কাল থেকেই মন্দির চত্বরে কুঁয়ো থাকার ঐতিহ্য রয়েছে, তাই এর পূর্ণাঙ্গ প্রত্নতাত্ত্বিক তদন্ত হওয়া উচিত।
-
অন্যপক্ষের বক্তব্য: অন্যদিকে, কংগ্রেস সাংসদ ইমরান মাসুদ এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন যে, পুরোনো আমলের মসজিদগুলিতে জল বা ওজুর জন্য কুঁয়ো থাকা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। অতীতে পানির উৎসের জন্য এমন ব্যবস্থা রাখা হতো।
এএসআই (ASI) তদন্তের নির্দেশ
পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে জেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। এসডিএম সুবোধ কুমার জানিয়েছেন যে, উদ্ধার হওয়া কুঁয়োটির ঐতিহাসিক সত্যতা এবং এর প্রকৃত বয়স জানতে ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ (ASI) বা সার্ভে অফ ইন্ডিয়া-র বিশেষজ্ঞদের দিয়ে এর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ও তদন্ত করানো হবে। তদন্তের রিপোর্টের পরেই পরবর্তী আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।