“আন্দোলন হাইজ্যাক করেছে রাজনৈতিক দলগুলো!” তরুণ প্রজন্মের বিক্ষোভ নিয়ে মুখ খুললেন বিএসপি সুপ্রিমো!

দেশজুড়ে তরুণ প্রজন্মের বা Gen-Z এবং বেকার যুবকদের আন্দোলন নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক তরজা। বহুজন সমাজ পার্টি (BSP) সুপ্রিমো ও উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী (Mayawati) সাম্প্রতিক যুব বিক্ষোভ ও আন্দোলনের রাজনৈতিকীকরণ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের সংকীর্ণ স্বার্থে যুবকদের এই আন্দোলনকে হাইজ্যাক করে নিচ্ছে, যার ফলে তরুণ সমাজের মনে দেখা দিয়েছে বড় শঙ্কা।
মায়াবতীর বক্তব্যের প্রধান দিকগুলি:
-
আন্দোলনে রাজনৈতিক প্রভাব: সোশ্যাল মিডিয়ায় এক দীর্ঘ পোস্টে মায়াবতী বলেন যে, জंतर-মন্তর সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তরুণ ও বেকার যুবকদের যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা আজ নিজের স্বকীয়তা হারিয়ে রাজনৈতিক রূপ ধারণ করেছে। দলগুলি নিজেদের ফায়দা তুলতে এই আন্দোলন ব্যবহার করায় তরুণদের মনে আশঙ্কার মেঘ জমছে।
-
বিএসপির অবস্থান ও সহমর্মিতা: রাজনৈতিক ফায়দা তোলার বিরোধিতা করলেও মায়াবতী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, Gen-Z এবং Gen-Alpha-র যৌক্তিক দাবি ও সমস্যার প্রতি বিএসপির পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে। দলের সমস্ত রাজ্য ইউনিটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে শান্তিপূর্ণ উপায়ে যুবকদের সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করেন।
-
নির্বাচনী প্রস্তুতির পরামর্শ: দলের কর্মীদের ধরনা বা আন্দোলনে শক্তি ক্ষয় না করে সমস্ত শক্তি ও সম্পদ আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতিতে নিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, বাবাসাহেব আম্বেদকরের স্বপ্নের ‘সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়’ নীতিতে সরকার গঠিত হলেই কেবল যুবসমাজসহ সমস্ত শ্রেণীর মানুষের সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।
পাশাপাশি, জंतर-মন্তর আন্দোলনের সময় ঘটে যাওয়া একটি অপ্রীতিকর ঘটনার উল্লেখ করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবিও জানিয়েছেন বিএসপি সুপ্রিমো। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মায়াবতীর এই মন্তব্য এখন দেশের রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।