মাঝেমধ্যেই তোলপাড় করা মন্তব্য! এবার বাংলার মেগা মেলা নিয়ে ঠিক কী দাবি তুললেন বাগেশ্বর ধামের বাবা?

প্রতি বছর মকর সংক্রান্তিতে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটে গঙ্গাসাগরে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধু-সন্তরা ছুটে আসেন পুণ্যস্নান করতে। আর এবার এই ঐতিহাসিক গঙ্গাসাগর মেলাকে ‘জাতীয় মেলা’-র স্বীকৃতি দেওয়ার জোরালো দাবি তুললেন বাগেশ্বর ধামের ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী। হাওড়ার লিলুয়ায় আয়োজিত হনুমান কথার মঞ্চ থেকে সরাসরি এই দাবি জানান তিনি।
গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে বড় দাবি
হাওড়ার লিলুয়ায় তিন দিনব্যাপী হনুমান কথার আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই বাংলায় আগমন ঘটেছে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি গঙ্গাসাগর মেলার জাতীয় স্বীকৃতির প্রসঙ্গ তোলেন। মহাত্মা গান্ধী এবং গঙ্গাসাগরের যোগসূত্রের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তাঁর স্পষ্ট প্রশ্ন, ‘‘গঙ্গাসাগর এখনও কেন জাতীয় মেলার মর্যাদা পাবে না?’’ এই মেলাকে আরও উন্নত করার পাশাপাশি এর মর্যাদাও বৃদ্ধি করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।
রাজনীতির জল্পনা ও তরুণ প্রজন্ম নিয়ে বার্তা
লিলুয়ার এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভিড় জমিয়েছেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও। শুক্রবার সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে এই রাজনৈতিক উপস্থিতি নিয়ে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি একজন সাধু এবং রাজনীতির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, ‘‘আমি সাধু, আমি কেন রাজনৈতিক বার্তা দেব?’’
পাশাপাশি, দেশের যুবসমাজ ও তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন তিনি। নতুন প্রজন্মকে সঠিক মূল্যবোধে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পরিবার থেকে শুরু করে সমাজ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান—সবারই সমান দায়িত্ব রয়েছে বলে মত প্রকাশ করেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। সব মিলিয়ে, তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা।