মাত্র ১৬০০ টাকায় থাকা-খাওয়া! পুজোর প্ল্যান থাকলে আজই লিস্টে যোগ করুন এই অপূর্ব পাহাড়ি গ্রামটিকে।

পুজো মানেই বাঙালির পাহাড় টান। কিন্তু দার্জিলিংয়ের চিরচেনা ভিড়, যানজট আর হট্টগোল এড়িয়ে যাঁরা একটু শান্ত ও নির্ভেজাল প্রকৃতির কোলে সময় কাটাতে চান, তাঁদের জন্য দারুণ এক খোঁজ নিয়ে এল ‘চিয়াবাড়ি’। সোনাদার কোলে লুকিয়ে থাকা এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামটি এখন ভ্রমণপিপাসু বাঙালিদের নতুন ‘অফবিট ডেস্টিনেশন’।
প্রকৃতির রূপ ও দর্শনীয় স্থান
পাইন বনের সারি, মেঘ-রোদ্দুরের লুকোচুরি আর চা-বাগানের সবুজ গালিচা—সব মিলিয়ে চিয়াবাড়ি যেন এক জীবন্ত ক্যানভাস। ঘুম ভাঙলেই চারপাশের পাহাড়ি পাখির কলকাকলি আর হিমেল হাওয়া শহুরে ক্লান্তি নিমেষেই ধুয়ে মুছে সাফ করে দেবে। শুধু তাই নয়, এর আশপাশে ঘুরে দেখার মতো রয়েছে ঐতিহাসিক সোনাদা মনেস্ট্রি এবং সবুজ চা-বাগানের বুক চিরে নেমে আসা আকর্ষণীয় রেইনবো ফলস।
খরচ ও যাওয়ার পথ
শিলিগুড়ি বা এনজেপি থেকে শেয়ার গাড়ি বা বাসে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় সোনাদা। সেখান থেকে লোকাল ট্যাক্সিতে মাত্র ১০০ টাকা খরচে পৌঁছানো সম্ভব চিয়াবাড়িতে। পর্যটকদের জন্য এখানে রয়েছে চমৎকার সব হোম-স্টে। থাকা ও প্রতিদিনের খাবারসহ মাথাপিছু খরচ মাত্র ১৬০০ থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে, যা পকেটের ওপর একেবারেই চাপ ফেলবে না। কুয়াশাচ্ছন্ন সন্ধ্যায় পাহাড়ি আচারের সঙ্গে বারবিকিউর আমেজ এই ভ্রমণকে করে তুলবে আরও বেশি রোমাঞ্চকর। তাই পুজোর ছুটিতে যদি পাহাড়ের আসল নিরিবিলি রূপ উপভোগ করতে চান, তবে ব্যাগ গুছিয়ে ফেলুন চিয়াবাড়ির উদ্দেশ্যে!