সিএমও অফিসে সোজা দিল্লি ক্রাইম ব্রাঞ্চের হানা! চাঞ্চল্যকর জালিয়াতিতে গ্রেফতার কে এই ব্যক্তি?

উত্তরপ্রদেশের বারেলি জেলায় ভুয়ো বা জাল দিব্যাঙ্গ (শারীরিক প্রতিবন্ধী) সার্টিফিকেট তৈরির এক চাঞ্চল্যকর চক্রের সন্ধান মিলল। এই ঘটনায় সরাসরি পদক্ষেপ করে দিল্লি ক্রাইম ব্রাঞ্চের একটি বিশেষ টিম আচমকাই বারেলির মুখ্য চিকিৎসা কর্মকর্তা (CMO) কার্যালয়ে হানা দেয়। সেখান থেকে কম্পিউটার অপারেটর কুলদীপকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই পুরো স্বাস্থ্য বিভাগে চরম শোরগোল পড়ে গেছে।
ঠিক কী ঘটেছিল CMO অফিসে? জানা গেছে, একটি ভুয়ো দিব্যাঙ্গ শংসাপত্র তৈরির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছিল দিল্লি ক্রাইম ব্রাঞ্চের কাছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে ক্রাইম ব্রাঞ্চের টিম শনিবার সোজা বারেলির সিএমও কার্যালয়ে এসে উপস্থিত হয়। সেখানে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে কর্মরত কম্পিউটার অপারেটর কুলদীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মূলত অনলাইন সার্টিফিকেট তৈরির প্রসেসটি সে-ই সামলাত।
কী অভিযোগ রয়েছে ধৃতের বিরুদ্ধে? প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হাসপাতালের ইএনটি (ENT) বিভাগের কিছু অসাধু কর্মীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই জালিয়াতি করা হয়েছিল। টাকার বিনিময়ে এই ভুয়ো শংসাপত্র তৈরি করা হচ্ছিল কি না এবং এর নেপথ্যে আর কারা কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদিকে সিএমও ডা. বিশ্রাম সিং জানিয়েছেন যে কম্পিউটারে কিছু অনিয়মের কথা তাঁদের নজরে এসেছিল এবং ক্রাইম ব্রাঞ্চ তাদের নিজস্ব তদন্তের স্বার্থেই ওই কর্মীকে তুলে নিয়ে গেছে। এই হাই-প্রোফাইল গ্রেপ্তারের জেরে স্বাস্থ্য দপ্তরের অন্দরে বড় কোনো দুর্নীতির পর্দাফাঁস হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।