56 Bhog Thali for Janmashtami: ৫৬ ভোগের থালি মাত্র ২ হাজারে! গোপালের জন্মদিনে পকেটে টান না দিয়েই কিনুন হরেক রকমের মিষ্টি

হাতে সময় নেই বলে কি মন খারাপ? গোপালের জন্মদিনের আপ্যায়নে যাতে সামান্যতম ত্রুটিও না থাকে, সেই বন্দোবস্ত করে দিয়েছে বাংলার মিষ্টান্ন বাজার। ব্যস্ত গৃহস্থের কথা মাথায় রেখে এবারের জন্মাষ্টমীতে রকমারি পদের পসরা সাজিয়ে বসেছেন মিষ্টি ব্যবসায়ীরা। চন্দননগর থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ক্ষীরের গোপাল থেকে শুরু করে ননী, ক্ষীর, তালের ফুলুরি কিংবা ছাপান্ন ভোগের মিষ্টির ট্রে বিকোচ্ছে একেবারে রমরমিয়ে।
চিনির বাজারে সামান্য ঝাঁজ থাকলেও সাধারণ মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে মিষ্টির দাম না বাড়িয়ে বিক্রির পরিমাণের ওপরই বেশি জোর দিচ্ছেন দোকানদাররা। সামনেই আবার দুর্গাপুজো ও অন্যান্য উৎসবের মরশুম, তাই মিষ্টিপ্রিয় বাঙালির পকেটে যাতে চাপ না পড়ে, সেদিকেও কড়া নজর রয়েছে মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠানগুলির।
কী কী স্পেশাল আইটেম মিলছে বাজারে?
এবারের জন্মাষ্টমীতে ক্রেতাদের মূল আকর্ষণ হল স্পেশাল ৫৬ ভোগের থালি। ৫৬ রকমের ভিন্ন স্বাদের মিষ্টি দিয়ে সাজানো এই থালির দাম রাখা হয়েছে ২ হাজার টাকা। পাশাপাশি রয়েছে ‘নন্দঘোষ থালি’, যার দাম ৭০০ টাকা। এছাড়াও ক্রেতাদের অর্ডারে তৈরি আড়াই থেকে তিন কেজি ওজনের এবং দেড় ফুট উচ্চতার বিশেষ ‘ক্ষীরের গোপাল’-এর দাম ৩ হাজার টাকা।
তালপ্রেমী ও ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির অনুরাগীদের জন্য বাজারে এসেছে নানা বৈচিত্র্য:
-
তালের মালপোয়া: ২০ টাকা প্রতি পিস
-
তালের বড়া: ৬০০ টাকা কিলো
-
তিলের নাড়ু: ১০ টাকা প্রতি পিস
-
সরের নাড়ু: ৩০ টাকা প্রতি পিস
-
রাবড়ি ও ক্ষীর: ৮০০ টাকা কিলো
-
ননী ও ছানার পায়েস: ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কিলো
বিখ্যাত মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার শৈবাল মোদক জানান, ক্রেতাদের অতিরিক্ত চাহিদা এবং সময়ের অভাবের কথা মাথায় রেখেই সমস্ত ট্র্যাডিশনাল আইটেম এক ছাদের তলায় নিয়ে আসা হয়েছে। অন্যদিকে, চন্দননগরের আরেক জনপ্রিয় মিষ্টির দোকানের কর্ণধার ধনঞ্জয় দাস জানিয়েছেন, এবছর জন্মাষ্টমী উপলক্ষে তালের ক্ষীর ও তালের বড়ার পাশাপাশি একেবারে নতুন সংযোজন হিসেবে তৈরি করা হয়েছে ‘তালের মোমো’ (Taler Momo), যা নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে তুঙ্গে।
বাড়িতে একা হাতে সব পদ রান্নার ঝামেলা এড়িয়ে এক জায়গায় গোপালের পছন্দের সমস্ত ভোগ পেয়ে যারপরনাই খুশি ক্রেতারাও। সাধ্যের মধ্যে দাম থাকায় শেষ মুহূর্তের বাজারে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে মিষ্টির দোকানগুলিতে।