কুণাল ঘোষকে কেক খাইয়েই দলবদলের জল্পনা! ট্রোলারদের মুখে ঝামা ঘষে কী সাফাই দিলেন শ্রীলেখা মিত্র?

সম্প্রতি নিজের জন্মদিনে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষকে কেক খাইয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র ট্রোলিং ও আক্রমণের মুখে পড়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। রাজনৈতিক মতাদর্শের ফারাক ভুলে পশুপ্রেমের টানে পথপশুদের একটি বিশেষ ক্যাম্পে একসঙ্গে হাজির হয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শ্রীলেখার রাজনৈতিক অবস্থান এবং দলবদল নিয়ে নেটপাড়ায় শুরু হয় নানা কটাক্ষ। অবশেষে সেই সমস্ত জল্পনা ও সমালোচনার অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় কড়া জবাব দিলেন অভিনেত্রী।

কুণাল ঘোষকে কেক খাওয়ানো মানেই যে তিনি রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করেছেন, এই ধারণাকে সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছেন শ্রীলেখা। তিনি সাফ জানিয়েছেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য নন, কেবল একটি নির্দিষ্ট বামপন্থী আদর্শকে সমর্থন করেন। আর সেই আদর্শ মেনেই চলেন বলেই তিনি কখনও শাসকদলের কাছে গলবস্ত্র হয়ে কোনো সরকারি সুবিধা বা অনুদান নেননি।

গত ১৫ বছরে কোনো সুবিধা নেননি
অভিনেত্রীর দাবি, গত ১৫ বছরে তিনি সরকারের বা শাসকদলের কারও কাছ থেকে কোনো ব্যক্তিগত সাহায্য বা বিশেষ সুবিধা নেননি। উল্টে সরকারের বিভিন্ন নীতির প্রকাশ্যে সমালোচনা করার খেসারত হিসেবে তাঁর কাজের সুযোগ ও ছবির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বর্তমান কিংবা ভবিষ্যৎ—কোনো সরকারের কাছেই তিনি কখনও হাত পাতেননি এবং আগামী দিনেও চাইবেন না। নিজের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়েই তিনি ও তাঁর অবলা পোষ্যরা মাথা উঁচু করে বাঁচবেন বলে জানিয়েছেন।

পথপশুদের কল্যাণে কুণাল ঘোষসহ যাঁরা যাঁরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। শ্রীলেখার কাছে এই পথপশুরাই তাঁর সন্তানসম। ওদের ভালোর জন্য অতীতে যাঁরাই তাঁকে কটু কথা বলেছেন, প্রয়োজনে তাঁদের দরজাতেও হাত পাততে পিছপা হবেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। এই কাজে তাঁর কোনো রকম অহংকার বা ‘ইগো’ বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। সবশেষে ট্রোলারদের উদ্দেশ্যে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, অহেতুক রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি না করে সবাই মিলে যদি সম্ভব হয় তবে অন্তত দুটো ‘পার্লে-জি’ বিস্কুট কিনে রাস্তার অভুক্ত পথপশুদের খাইয়ে দিন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *