পুজোর সময় দালাল ছাড়াই ট্রেনের টিকিট কনফার্মড, জেনেনিন ৪ জবরদস্ত উপায়

উৎসবের মরশুম মানেই রেল স্টেশনে উপচে পড়া ভিড় আর কনফার্ম টিকিটের জন্য অন্তহীন লড়াই। পুজো, দীপাবলি বা ছট পুজোর মতো বিশেষ দিনগুলোতে বাড়ি ফেরার তাগিদে ট্রেন যাত্রীদের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় হয়। শেষ মুহূর্তে টিকিট না পেয়ে অনেককেই বাধ্য হয়ে ভ্রমণের পরিকল্পনা বাতিল করতে হয়। তবে একটু আগেভাগে পরিকল্পনা করলে এবং কিছু সহজ কৌশল জানা থাকলে এই ভিড় ও ঝক্কি এড়ানো সম্ভব। উৎসবের মরশুমে আরামদায়ক ও নিরাপদ ট্রেন যাত্রা নিশ্চিত করার কিছু কার্যকর উপায় জেনে নেওয়া যাক।
আগে থেকেই টিকিট বুক করুন
উৎসবের মরশুমে বাড়ি ফেরার নিশ্চিত উপায় হলো সময়মতো টিকিট বুক করে ফেলা। ভারতীয় রেলের নিয়ম অনুযায়ী, যাত্রার তারিখের ৬০ দিন আগে থেকেই টিকিট বুকিংয়ের উইন্ডো খুলে যায়। রিজার্ভেশন খোলার সঙ্গে সঙ্গেই নিজের ও পরিবারের জন্য টিকিট কেটে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ। এতে শেষ মুহূর্তের হয়রানি থেকে যেমন মুক্তি মিলবে, তেমনই স্বাচ্ছন্দ্যে গন্তব্যে পৌঁছানো যাবে।
ওয়েটিং লিস্টের টিকিট কনফার্ম হওয়ার সুযোগ
যদি দিল্লি থেকে কলকাতার মতো জনপ্রিয় রুটে ৬০ দিন আগে বুক করার পরেও টিকিট ওয়েটিং লিস্টে থাকে, তবুও চিন্তার খুব একটা কারণ থাকে না। ডিরেক্ট ট্রেনের ক্ষেত্রে যাত্রার বেশ কিছুদিন সময় হাতে থাকায় ওয়েটিং টিকিট কনফার্ম হয়ে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা থাকে।
ব্রেক জার্নির কৌশল
ডিরেক্ট ট্রেনে কনফার্ম টিকিট না পেলে বিকল্প পথ বেছে নেওয়া যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, দিল্লি থেকে কলকাতা যাওয়ার সরাসরি টিকিট না পেলে প্রথমে দিল্লি থেকে কানপুর এবং পরবর্তীতে কানপুর থেকে কলকাতার টিকিট কেটে নিতে পারেন। অনেক যাত্রী মূল স্টেশনগুলোতে নেমে যাওয়ার কারণে এই পদ্ধতিতে টিকিট কনফার্ম হওয়ার সুযোগ অনেকটাই বেড়ে যায়।
স্পেশাল ট্রেন ও তৎকাল পরিষেবার সাহায্য নিন
উৎসবের বাড়তি ভিড় সামাল দিতে রেল দফতর প্রতি বছরই একাধিক স্পেশাল ট্রেন চালায়, যেগুলোতে অপেক্ষাকৃত সহজে টিকিট পাওয়া যায়। পাশাপাশি, শেষ মুহূর্তের ভরসা হিসেবে তৎকাল টিকিট বুকিংয়ের সুযোগ তো থাকছেই। তবে এর জন্য কিছুটা অতিরিক্ত চার্জ দিতে হতে পারে এবং অনলাইনেই এই টিকিট কাটার বন্দোবস্ত করতে হয়।