“বয়স হয়েছে, আর ক্ষমতায় ফিরবেন না!”-মমতার জেলা সফর নিয়ে দিলীপের কটাক্ষ

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে ফের একবার বাংলায় ক্ষমতায় ফেরার জোরালো বার্তা দিয়েছিলেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, সরকারের অনুমতি না মিললেও রাস্তায় নেমে মানুষের সঙ্গে সরাসরি জনসংযোগ ও জেলা সফরে বেরোনোর ঘোষণা করেছিলেন তিনি। মমতার এই মেগা হুঙ্কারকে এক ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা প্রভাবশালী বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ খোঁচা দিয়ে বলেন, দিদির বয়স হলেও তিনি আর কখনোই ক্ষমতায় ফিরতে পারবেন না।
মমতার জেলা সফর এবং তাঁর পায়ে হেঁটে জনসংযোগের পরিকল্পনাকেও একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপি নেতা। কটাক্ষের সুরে তিনি বলেন, “হাঁটুন। শরীরটা ভালো থাকবে। অনেক দিন বাড়িতে বসে আছেন তো। এর বেশি এর থেকে কোনও রাজনৈতিক লাভ হবে না।” অর্থাৎ তৃণমূল সুপ্রিমোর এই মাস্টারস্ট্রোক কর্মসূচিকে যে আদতে পাত্তা দিচ্ছে না গেরুয়া শিবির, দিলীপের মন্তব্যে তা স্পষ্ট।
এদিকে সম্প্রতি পুরভোটের সম্ভাব্য সমীকরণ নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর কাকলি ঘোষ দস্তিদারও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তাঁদের দল এনডিএ (NDA)-র শরিক হিসেবে আসন্ন পুরভোটে লড়তে পারে। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানান, ওঁরা নতুন দল তৈরি করেছেন, ফলে কোথায় এবং কীভাবে লড়বেন সেটা ওরাই ঠিক করবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকারের উন্নয়নের ধারা দেখে যদি অনেক দলই সামিল হতে চায়, তবে তাতে কোনও বাধা নেই বলেই মত তাঁর।
অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের হোর্ডিং খোলা কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে, তা নিয়েও মুখ খুলেছেন দিলীপ। হোর্ডিং সরানোর ঘটনায় আইনি লড়াইয়ের পথে হাঁটার হুমকি দিয়েছেন অভিষেক। এই বিষয়ে দিলীপের সাফ দাবি, শহরের দৃশ্যদূষণ রোধ করতেই পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কটাক্ষের সুরে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যে পার্টিই নেই, সেই পার্টির আবার সর্বভারতীয় সম্পাদক কে?” পাশাপাশি পুলিশের ওপর বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, আইন নিজের কাজ করেছে।